দেশে গণতন্ত্র কারারুদ্ধ হয়ে পড়েছে বলে বিরোধীদল লাগাতার অভিযোগ করলেও ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্ট ইউনিটের গণতন্ত্রের সূচক-এ বাংলাদেশের চার ধাপ উন্নতি হয়েছে। ৫ দশমিক পাঁচ সাত পয়েন্ট নিয়ে এই সূচকে বাংলাদেশ রয়েছে ১৬৫টি দেশ ও দুটি অঞ্চলের মধ্যে ৮৮তম অবস্থানে। গত বছর এই সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ৯২তম স্থানে।
নির্বাচনী ব্যবস্থা ও বহুদলীয় অবস্থান, সরকারে সক্রিয়তা, রাজনৈতিক অংশগ্রহণ, রাজনৈতিক সংস্কৃতি এবং নাগরিক অধিকার -এই পাঁচ মানদণ্ডে একটি দেশের পরিস্থিতি বিবেচনা করে প্রতিবছর ১০ ভিত্তিক এ সূচক তৈরি করে ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্ট ইউনিট।
এ সূচকে ২০১৮ সালে গণতন্ত্রের সার্বিক বৈশ্বিক স্কোর হচ্ছে ৫ দশমিক চার আট। সেখানে বাংলাদেশের স্কোর পাঁচ দশমিক চার সাত। ইন্টেলিজেন্ট ইউনিটের সমীক্ষা বলছে গণতন্ত্রের বিচারে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান তৃতীয়। বাংলাদেশের চেয়ে এগিয়ে আছে কেবল ভারত ও শ্রীলঙ্কা।
এ সূচকে ৪ থেকে ৬ স্কোরের দেশগুলো বলা হয় মিশ্র গণতন্ত্রের দেশ। এই ভাগের মধ্যে বাংলাদেশ রয়েছে ৫৬টি দেশের সঙ্গে।
৬ প্লাস থেকে ৮ স্কোরের দেশগুলোকে বলা হয় ত্রুটিপূর্ণ গণতন্ত্রের দেশ। গতবারের মতো এই ক্যাটাগরিতে আছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। ৫৫টি দেশের এই ভাগে রয়েছে ভারত ও শ্রীলঙ্কাও।
স্কোর ৪ এর নীচের দেশগুলোতে স্বৈরশাসনে মানুষ জীবন কাটাচ্ছে বলে ধরা হয়।
এ তালিকায় মিয়ানমার, চীন, রাশিয়া, ভিযেতনাম, ইরান ও সৌদি আরব রয়েছে।
৯ পয়েন্ট ৮ সাত স্কোর নিয়ে এবারও এ তালিকার শীর্ষে রয়েছে নরওয়ে।
শীর্ষ দশে আছে আইসল্যান্ড, সুইডেন, নিউজিল্যান্ড, ডেনমার্ক, কানাডা, আয়ারল্যান্ড, ফিনল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া ও সুইজারল্যান্ড।