নির্বাচনী ইশতেহার অনুয়ায়ী প্রত্যেকটি গ্রামে শহরের সুবিধা পৌঁছে দিতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেয়া হবে— এ ক্ষেত্রে সবসময় বিবেচনায় থাকবে গ্রামের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান।
রোববার জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ প্রগতিশীল কলামিস্ট ফোরাম আয়োজিত এক সেমিনারে এ কথা বলেন তিনি।
সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের পূর্ণ মূল্যায়ন করে বাঙালি জাতীয়তাবাদকে পুনজ্জীবিত করা বর্তমান সরকারের অন্যতম লক্ষ্য আর দেশের উন্নতির স্বার্থে সাময়িক সময়ের জন্য আয় বৈষম্য মেনে নিয়ে সম্পদ উৎপাদন অব্যাহত রাখার প্রয়োজনিতার কথা তুলে ধরেন তিনি।
একাদশ জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারে অন্যতম প্রতিশ্রুতি ছিল গ্রামে শহরের সুযোগ সুবিধা পৌঁছে দেয়া। বিপুল ভোটে জয় ও টানা তৃতীয়বার ক্ষমতা গ্রহণের পর এ প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন এখন সরকারের বড় এক চ্যালেঞ্জ। এ নিয়ে এক আলোচনা সভার আয়োজন করে বাংলাদেশ প্রগতিশীল কলামিস্ট ফোরাম।
নারীর নিরাপত্তা থেকে শুরু করে ধর্মান্ধতা, বহুমুখী শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন আলোচকরা।
দেশের বাড়তি জনসংখ্যার জন্য জরুরি ভিত্তিতে পরিকল্পিত আবাসন ব্যবস্থা গড়ে তোলার তাগিদ দেন তারা।
তা না হলে, ভবিষ্যতে কৃষি জমির অভাবে নিত্যপণ্য আমদানি করতে হবে বলেও সর্তক করেন তারা।
পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান তার বক্তব্যে সবাইকে আশ্বস্ত করে বলেন, সবকিছু মাথায় রেখেই পরিকল্পতিভাবে গ্রামকে শহরে রুপান্তর করা হবে।
আয় বৈষম্য সাময়িক সময়ের জন্য মেনে নিয়ে দেশের উন্নতির স্বার্থে সম্পদ উৎপাদন অব্যাহত রাখা জরুরি বলেও মন্তব্য করেন পরিকল্পনা মন্ত্রী।