একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামাতকে সঙ্গে রাখা ও নেতৃত্বের সংকটের কারণে বিরোধীরা হেরে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দাবি করেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় গেলে মানুষের জন্য কাজ করে— এ বিষয়ে জনগণের আস্থা তৈরি হয়েছে। আর সে কারণেই নির্বাচনে ভোটারদের মধ্যে ক্ষমতাসীনদের বিরুদ্ধে যাওয়ার উপমহাদেশীয় প্রবণতা দেখা যায়নি।
এছাড়া, তিস্তার পানিবণ্টন চুক্তির ক্ষেত্রে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির অবস্থান সহযোগিতাপূর্ণ বলে আখ্যা দিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী।
শেখ হাসিনা বলেন, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন সম্ভব করে তুলতে ভারতের উচিত মিয়ানমারের ওপর চাপ দেয়া।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম সিএনএন নিউজ এইটিনকে দেয়া সাক্ষাৎকারে এসব বিষয় কথা বলেন তিনি।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম সিএনএন নিউজ এইটিনকে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনসহ বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, জণগণ বুঝতে পেরেছিল আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করতে পারলে জনগণের জন্য কাজ করবে তাই জনগণের ভোটে আওয়ামী লীগ আবারো জয়যুক্ত করেছে।
তিনি আরো বলেন, আওয়ামী লীগ জণগণের আস্থা অর্জন করতে পেরেছে।
এবারের নির্বাচন অনেক শান্তিপূর্ণ হয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা আছে, সবাই মতা প্রকাশ করতে পেরেছে, আলোচনা করতে পেরেছে।
আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় সমালোচনা করতে পারে কিন্তু তার আগে তাদের পূর্ববর্তী নির্বাচনগুলোর ফলাফল দেখার পরামর্শ দেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, বিরোধীদল যুদ্ধাপরাধী দল জামাতকে সঙ্গে নেয়ায় জনগণ তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে।
নির্বাচনের নামে বিরোধীরা মনোনয়ন বাণিজ্য করেছে বলে অভিযোগ করেন প্রধানমন্ত্রী।
এছাড়া, তিস্তার পানিবণটন চুক্তির ক্ষেত্রে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির অবস্থানকে সহযোগিতামূলক আখ্যা দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন সমস্যা হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে।
রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে বড় প্রতিবেশি দেশ হিসেবে ভারতের সহযোগিতা চেয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মিয়ানমারের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক ভালো। রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফিরে যাওয়া নিশ্চিত করতে মিয়ানমারের ওপর চাপ প্রয়োগ করতে ভারতের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।