নবম মজুরি বোর্ডে ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের অন্তর্ভুক্তি করার বিষয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে পদক্ষেপ নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
শনিবার দুপুরে সচিবালয়ে সংবাদপত্রে নবম মজুরি বোর্ড নিয়ে মন্ত্রিসভা কমিটির প্রথম বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান মন্ত্রী।
ওবায়দুল কাদের আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকার সাংবাদিক ও গণমাধ্যমের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোর ওপর গুরুত্ব দিয়ে থাকেন।
অনেক ভূঁইফোড় অনলাইন মিডিয়ার জন্য সাংবাদিকতা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, সেখানে আপনাদের কী ব্যবস্থা থাকবে? এমন প্রশ্নের উত্তরে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘চিহ্নিত করছি।’
এছাড়া তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ জানান, অনলাইন গণমাধ্যমের জন্য নীতিমালা প্রণিত হলে অনলাইন নিউজ পোর্টালগুলোকে নিবন্ধনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।
যেসব অনলাইন সংবাদপত্র সত্যিকার অর্থে ভালো সংবাদ পরিবেশন করে আজকের দুনিয়ার বাস্তবতায় সেগুলোর প্রয়োজন আছে জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, সম্প্রচার নীতিমালার আলোকে অনলাইনের রেজিস্ট্রেশনের ব্যবস্থা করলে ভূঁইফোড়গুলো বন্ধ হয়ে যাবে।
আর তথ্যমন্ত্রী বলেন, অনলাইন নিয়ে আমি শুরু থেকেই বলেছি, কিছু অনলাইন আছে যেগুলো সত্যিকার অর্থে ভালো সংবাদ পরিবেশন করে। যেগুলোর প্রয়োজন আছে— অনলাইনের অবশ্যই প্রয়োজন আছে। এটা আজকের পৃথিবীর বাস্তবতা।
তিনি আরো বলেন, কিন্তু কিছু ভূঁইফোড় অনলাইন আছে যারা আসলে সত্য সংবাদের চেয়ে প্রোপাগান্ডা ছড়ানোর কাজে লিপ্ত এগুলোকে আমরা চিহ্নিত করা হবে, সম্প্রচার নীতিমালা যখন হবে এগুলোর রেজিস্ট্রেশনের ব্যবস্থা করার একটা উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। অনেকের তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা হয়েছে। সম্প্রচার নীতিমালার আলোকে আমরা এগুলোর রেজিস্ট্রেশনের ব্যবস্থা হলে ভূঁইফোড় তখন সেগুলো অটোমেটিক্যালি ফেইস আউট হয়ে যাবে। এ ব্যাপারে কাজ চলছে এবং সহসা আমরা এটা করবো।
অনেক সময় নাম স্বর্বস্ব পত্রিকার নামে অ্যাক্রেডিটেশন কার্ড ইস্যু করতে দেখা যায়- এ বিষয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, আজকে এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। এগুলো আমরা রিভাইস করবো।
ওয়েজ বোর্ড বাস্তবায়নে পুনর্গঠিত কমিটির প্রধান এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের সভাপতিত্বে সভায় তথ্যমন্ত্রী ছাড়াও শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন, সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কেএম খালিদ অংশ নেন। এছাড়াও নিউজ পেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের (নোয়াব) নেতারা উপস্থিত ছিলেন।