একাদশ জাতীয় সংসদে ফের স্পিকারের দায়িত্ব পেয়েছেন ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।
একইসঙ্গে ডেপুটি স্পিকার হিসেবে তার আগের সহকর্মী অ্যাডভোকেট মো. ফজলে রাব্বী মিয়া ফের নির্বাচিত হয়েছেন।
বুধবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ তাকে শপথ বাক্য পাঠ করান।
এর আগে ডেপুটি স্পিকার মো. ফজলে রাব্বী মিয়ার সভাপতিত্বে দিনের কার্যসূচি শুরু হয়।
অধিবেশনের শুরুতেই স্পিকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে দুপুর ২টায় সংসদ ভবনে সরকারি দলের সভাকক্ষে স্পিকার ডেপুটি স্পিকারের নাম প্রস্তাবকারী ও সমর্থনকারী ঠিক করা হবে।
পরে ডেপুটি স্পিকার মো. ফজলে রাব্বী মিয়ার নেতৃত্বে স্পিকারের নাম প্রস্তাবের ওপর ভোট হয়।
এ সময় ক্ষমতাসীন দলের সড়ক পরিবহন এবং সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর নাম প্রস্তাব করেন। পরে তা কণ্ঠ ভোটে পাস হয়। শিরীন শারমিন চৌধুরী টানা তৃতীয় মেয়াদে সর্বসম্মতিভাবে স্পিকার নির্বাচিত হন।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের স্পিকার পদে শিরীন শারমিনের নাম প্রস্তাব করেন। প্রস্তাব সমর্থন করেন নবনিযুক্ত চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী। আর কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় কণ্ঠভোটে শিরীন শারমিন চৌধুরীকে বিজয়ী ঘোষণা করেন স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়া।
জাতীয় সংসদের ওয়েবসাইটে শিরীন শারমিন চৌধুরীর জীবনী তুলে ধরে বলা হয়েছে। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৮৯ সালে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অধিকার করে এলএলবি (অনার্স) এবং ১৯৯০ সালে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অধিকার করে এলএলএম ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি কমনওয়েলথ স্কলারশিপ নিয়ে ২০০০ সালে যুক্তরাজ্যের এসেক্স ইউনিভার্সিটি থেকে ‘রাইট টু লাইফ' অর্থাৎ, মানুষের জীবনের অধিকার, মানবাধিকার ও সাংবিধানিক আইন বিষয়ে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী। তিনি জনস্বার্থ, মানবাধিকার ও সংবিধান বিষয়ক বিভিন্ন মামলা পরিচালনা করেছেন। ২০০৮-২০০৯ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আনা বিভিন্ন মামলার প্যানেল আইনজীবী ছিলেন।