দীর্ঘ দিন ধরে দেশের নদী সংরক্ষণ করা হয়নি তাই দূষণ হয়েছে— এখন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে একটি কমিটি করা হয়েছে, এ কমিটি নদী দূষণ রোধে কাজ করবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী তাজুল ইসলাম।
বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
এছাড়া আরবান এরিয়াতে যত ময়লা আবর্জনা আছে তা সঠিকভাবে ব্যবস্থাপনা করা হবে বলেও জানান তিনি।
মন্ত্রী বলেন, একটি মাস্টারপ্লান করা হয়েছে— এতে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, নদী দুষণ রোধ, এবং দূষণের উৎস বন্ধ করা, নদ- নদীর তীরভূমি উদ্ধার। শুধু বুড়িগঙ্গা নদীই নয় মেঘনা নদীর পারেও অবৈধ স্থাপনা গড়ার খবর পাওয়া গেছে তা উচ্ছেদ করা হবে।
এছাড়া শিল্প কারখানায় ইটিপি বাস্তবায়নও কার্যকর করা হবে—কর্ণফুলি, তুরাগ, বুড়িগঙ্গা দশ বছরের প্লান নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।
পরিকল্পিতভাবে নদ-নদীর দূষণ রোধ এবং তীরভূমি উদ্ধার করে নাব্যতা ফিরিয়ে আনা হবে আগামী দশ বছরে। স্বল্প, মধ্যম এবং দীর্ঘ মেয়াদে এ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে জানান মন্ত্রী।
তিনি বলেন, আসছে বর্ষাকে কেন্দ্র করে ঢাকা ও চট্টগ্রাম নগরীর জলাবদ্ধতা কমাতে সংশ্লিষ্ট খাল ড্রেন পরিস্কার করা হবে তবে সেসব রাতারাতি সম্ভব নয়, স্বস্তিদায়ক পর্যায়ে করা হবে।