বঙ্গবন্ধু টানেল হলে দেশে শিল্প, পর্যটন এবং ব্যবসার প্রসার ঘটার পাশাপাশি রপ্তানি ও কর্মসংস্থান বাড়বে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
রোববার বেলা সোয়া ১১টায় চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় টানেল প্রকল্প এলাকার কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ডে এ কাজের উদ্বোধন করে এ কথা বলেন তিনি।
সকাল পৌনে ১১টায় ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সরাসরি তিনি পতেঙ্গার সাগর পাড়ে সভামঞ্চে যান।
এ কাজের উদ্বোধন শেখ হাসিনা বলেন, এ কাজের মধ্য দিয়ে উন্নয়নের নতুন ধাপে প্রবেশ করলো বাংলাদেশ।
পতেঙ্গায় বঙ্গবন্ধু টানেলের খনন ও এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণ কাজের উদ্বোধনী করেন তিনি।
পদ্মা সেতু ও টানেল নির্মাণ হলে প্রবৃদ্ধি ২ অঙ্কের ঘরে পৌঁছাবে বলে জানান।
এছাড়া আগামীতে চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত মেরিন ড্রাইভ হওয়ার কথাও জানান প্রধানমন্ত্রী।
সেখানে কর্ণফুলী নদীর তলদেশে নির্মাণাধীন বাংলাদেশের প্রথম সড়ক সুড়ঙ্গপথ "বঙ্গবন্ধু টানেল"র খননকাজের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ডে সুইচ টিপে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন। এরপর সেখানেই আরেকটি মঞ্চ থেকে ফলক উন্মোচন করে চট্টগ্রামের প্রথম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।
নগরের লালখান বাজার থেকে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পর্যন্ত এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েটি নির্মাণ করা হচ্ছে।
বঙ্গবন্ধু টানেল চট্টগ্রাম শহরের বন্দর এলাকার সঙ্গে নদীর অন্য তীরের আনোয়ারা উপজেলাকে সড়কপথে যুক্ত করবে। এর মধ্যদিয়ে বাংলাদেশ উন্নয়নের নতুন ধাপে প্রবেশ করলো বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।
এছাড়া দেশের সার্বিক উন্নয়নে সরকার কাজ করছে বলে জানান শেখ হাসিনা।
এ সময় পদ্মা সেতুতে দুর্নীতির কোনো প্রমাণ বিশ্বব্যাংক দিতে পারেনি বলেও মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।