চট্টগ্রামে কর্ণফুলী নদীর তলদেশে ৩ হাজার মিটার দীর্ঘ বঙ্গবন্ধু টানেল দেশের সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থায় যোগ করবে নতুন মাত্রা।
এ পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে, এই টানেল নির্মাণের মাধ্যমে বন্দরনগরী চট্টগ্রামকে গড়ে তোলা হবে চীনের সাংহাইয়ের আদলে ওয়ান সিটি, টু টাউন মডেলে। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে ঢাকা থেকে সরাসরি কক্সবাজারের সঙ্গে যোগাযোগ সহজ হবে। এছাড়া চট্টগ্রামের আরেক মেগা প্রকল্প লালখান বাজার থেকে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পর্যন্ত ১৬ কিলোমিটার দীর্ঘ এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ হলে ওই এলাকার যানজট দূর হবে।
চট্টগ্রামে কর্ণফুলী তীরের এ কর্মযজ্ঞ দেশের প্রথম "বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল" নির্মাণের। টানেলটি শহরের বন্দর এলাকার সঙ্গে নদীর অন্য তীরে আনোয়ারা উপজেলার সড়ক পথে যুক্ত হবে। এটি চালু হলে পর্যটন নগরী কক্সবাজারসহ দক্ষিণ চট্টগ্রামের সঙ্গে যোগাযোগ আরও সহজ হবে। পাশাপাশি কর্ণফুলীর দুই সেতুর ওপর যানবাহনের চাপ কমবে।
সংশ্লিষ্টরা বলেন, বন্দরনগরী চট্টগ্রামকে চীনের সাংহাইয়ের আদলে ওয়ান সিটি দুই টাউন মডেলে গড়ে তোলা হবে এ টানেল নির্মাণের মধ্য দিয়েছে। ৩ হাজার মিটার দীর্ঘ এ টানেলের নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ৯ হাজার ৮০০ কোটি টাকা।
সব কিছু ঠিক থাকলে ২০২২ সালে চালু হবে এ টানেল বলে জানান সেতু বিভাগের সিনিয়র সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম
নগরীর যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে সরকারের নেয়া আরেকটি প্রকল্প লালখান বাজার থেকে শাহ আমানত বিমানবন্দর পর্যন্ত এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়।
১৬ কিলোমিটারের বেশি দীর্ঘ এ এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নিমাণকাজ শেষ হলে ওই সড়ক যানজট কমে আসবে বলে জানান সিডিএয়ের চেয়ারম্যান আব্দুস ছালাম।