চকবাজারে দুর্ঘটনার পর পুরান ঢাকা থেকে রাসায়নিকের গুদাম কদমতলী ও টঙ্গীর দুটি জায়গায় স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আবদুল হালিম।
চকবাজারে অগ্নিকাণ্ডে ৬৯ জনের প্রাণহানির প্রেক্ষাপটে বুধবার শিল্প মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সরকারি কর্মকর্তাদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়। পরে শিল্প সচিব বলেন, টঙ্গীর ঢাকা-ময়মনসিংহ সড়কের পাশে কাঠাল দিয়ায়, বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল করপোরেশনের জায়গায় এবং কদমতলীর শ্যামপুরে বিসিআইসির জমিতে কেমিক্যাল সাময়িক সময়ের জন্য সরানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কেমিক্যাল স্থানান্তর শুরু করা হবে গ্র্যাজুয়ালি।–আরো কিছু অবকাঠামো তৈরি করে ১৫ দিনেও মধ্যে সেখানে নিয়ে যাওয়া সম্ভব বলে জানান তিনি। এছাড়া বাইরে সাভার এবং নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় ঢাকা ম্যাচ ফ্যাক্টরির কাছে এ ধরনের গুদাম সরানোর জন্য জমি রয়েছে বলে জানান সচিব। এসিড মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক বলেন, আপাতত পাঁচ হাজার বর্গফুট হলেই তাদের চলবে।
গত বুধবার রাতে চুড়িহাট্টায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে যায় অন্তত পাঁচটি ভবন, যে ভবনগুলোর প্রায় প্রতিটিতে ছিল প্লাস্টিক দ্রব্য, রাসায়নিক কিংবা প্রসাধন সামগ্রীর গুদাম। পুড়ে মারা যান ৬৯ জন।
শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আবদুল হালিমের সভাপতিত্বে সভায় বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি, বাংলাদেশ কেমিকেল অ্যান্ড পারফিউমারি মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক আরিফ হোসেন, বাংলাদেশ কেমিকেল মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি মো. সাহিদুর রহমান পরাগ ও বাংলাদেশ এসিড মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ উল্লাহ পলাশ উপস্থিত ছিলেন।
শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আবদুল হালিমের সভাপতিত্বে সভায় বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি, বাংলাদেশ কেমিকেল অ্যান্ড পারফিউমারি মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক আরিফ হোসেন, বাংলাদেশ কেমিকেল মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি মো. সাহিদুর রহমান পরাগ ও বাংলাদেশ এসিড মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ উল্লাহ পলাশ উপস্থিত ছিলেন।
নয় বছর আগে নিমতলীতে অগ্নিকাণ্ডে শতাধিক মানুষের প্রাণহানির পর পুরান ঢাকার সব রাসায়নিকের গুদাম সরিয়ে ফেলার সুপারিশ করা হয়েছিল।