বিমান ক্রয়, রক্ষণাবেক্ষণ, সার্ভিস খাতসহ আটটি ক্ষেত্রে দুর্নীতির উৎস খুঁজে পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদক।
এদিকে, বিমানের সম্পদ রক্ষণাবেক্ষণ, কনসালটেন্ট নিয়োগসহ সেবাসহ ১১টি ক্ষেত্রে দুর্নীতি খুঁজে পেয়েছে বেসামরিক বিমান কর্তৃপক্ষ।
এসব ক্ষেত্রগুলোতে বিশেষ নজরদারি দিয়ে দুর্নীতিমুক্ত রাখতে বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়কে সুপারিশ করেছে দুদক।
দুদকের নিজস্ব উদ্যোগে মন্ত্রণালয়ে অনুসন্ধান চালিয়ে এ প্রতিবেদন রোববার দুপুরে বেসামরিক বিমান ও পর্যটনমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন দুদক কমিশনার ড. মোজাম্মেল হক খান।
মন্ত্রণালয়ভিত্তিক দুর্নীতি অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে এবার বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ে অনুসন্ধান চালিয়েছে দুদক। ওই অনুসন্ধানের প্রতিবেদন রোববার দুপুরে সচিবালয়ে বেসামরিক বিমান ও পর্যটনমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন দুদক কর্মকর্তারা।
দুদক কমিশনার ড. মোজাম্মেল হক খান বলেন, বিমান বাংলাদেশের ৮টি ক্ষেত্র রয়েছে দুর্নীতির। সেখানে বিমান ক্রয় থেকে শুরু করে, যাত্রী সেবা, টিকেট বিক্রয়, খাদ্য খাত অন্যতম। এছাড়াও বিমান চলাচলে আন্তর্জাতিক আইন মানে না।
এছাড়া বেসামরিক বিমান কর্তৃপক্ষে দুর্নীতি হতে পারে এমন ১১টি খাত খুঁজে পেয়েছে দুদক। সেখানে কনসালটেন্ট নিয়োগ, সম্পদ রক্ষণাবেক্ষণে দুর্নীতি রয়েছে। রয়েছে দলীয়করণ ও অতিরিক্ত ব্যয়ের মতো বিষয়। এসব বিষয় নজরদারিতে নিলে বিমান খাত দুর্নীতিমুক্ত হবে বলে মনে করছে দুদক।
আর বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রী জানিয়েছেন, দুদকের পর্যবেক্ষণ খতিয়ে দেখে বিমানকে দুর্নীতিমুক্ত করা হবে।
এর আগেও স্বাস্থ্য, শিক্ষা, ভূমিসহ বেশ কয়েকটি মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমে অনুসন্ধান চালিয়েছে দুদক।