আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের অবস্থা উন্নতির দিকে জানিয়েছেন দলটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ।
সব ঠিক থাকলে আগামী সপ্তাহে তার বাইপাস সার্জারি হতে পারে বলে জানিয়েছেন তিনি।
এদিকে, সিঙ্গাপুরে তার চিকিৎসা নিয়ে এক ব্রিফিংয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ডা. আবু নাসার রিজভী জানান, দুই একদিনের মধ্যে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদকের দেহ থেকে কৃত্রিম মেশিনগুলো খুলে ফেলা হবে।
আওয়ামী লীগ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের শারীরিক অবস্থার সবশেষ পরিস্থিতি নিয়ে বুধবার সকালে দলের পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলন করেন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ।
তিনি জানান, ওবায়দুল কাদেরের অবস্থা আগে চেয়ে ভালো। চিকিৎকরা পরিস্থিতি বুঝে তার বাইপাস সার্জারি করবেন।
এদিকে, সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে ওবায়দুল কাদেরের চিকিৎসার জন্য গঠিত পাঁচ সদস্যের মেডিকেল বোর্ডের প্রধান ডা. ফিলিপ কোহ বুধবার সকালে ব্রিফ করেন। তার বরাত দিয়ে বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ডা. আবু নাসার রিজভিও জানান তার-কাদেরের অবস্থা উন্নতির দিকে।
ওবায়দুল কাদেরকে দেখতে যেসব রাজনৈতিক দলের নেতারা হাসপাতালে গিয়েছিলেন এবং কর্তব্যরত চিকিৎসকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান হয় আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে।
গত ৪ মার্চ ওবায়দুল কাদেরকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে সিঙ্গাপুরে নেয়া হয়। ব্রিফিংয়ের সময় ওবায়দুল কাদেরের সহধর্মিণী ইসরাতুন্নেসা কাদের, সিঙ্গাপুরে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মোস্তাফিজুর রহমান, নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সংসদ সদস্য একরামুল করিম চৌধুরী, ফেনী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সংসদ সদস্য নিজাম উদ্দীন হাজারী, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. শাহে আলম মুরাদ, গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র জাহাঙ্গীর আলম, ফেনী পৌরসভার মেয়র হাজী আলাউদ্দিন, বাংলাদেশ হাইকমিশনের কাউন্সিলর একেএম আজম ও আতাউর রহমান, ওয়েলফেয়ার অফিসার মো. আল আমিন হোসেন, ডিবিসি নিউজ চ্যানেলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শহীদুল আহসান, অগ্রণী এক্সচেঞ্জ এর সিইও মো. শরিফুল ইসলাম, সিঙ্গাপুরস্থ বাংলাদেশ কমিউনিটি নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
গত রোববার ভোরে ফজরের নামাজের পর হঠাৎ শ্বাস-প্রশ্বাসে সমস্যা দেখা দিলে ওবায়দুল কাদেরকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) ভর্তি করা হয়। প্রথমে আইসিইউতে নেয়া হলেও পরে হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিটের (সিসিইউ) ২ নম্বর বেডে রাখা হয় তাকে। এনজিওগ্রামে কাদেরের হার্টে তিনটি ব্লক ধরা পড়ে। একটিতে রিং পরানো হয়েছে।