সরকারি উদ্যোগ নেয়ার পরেও বিদেশি চ্যানেলে বিজ্ঞাপন প্রচার হচ্ছে— আইনের কঠোর প্রয়োগের সুপারিশ জানিয়েছে বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল মালিকদের সংগঠন-অ্যাটকো।
বুধবার সচিবালয়ে তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদের সঙ্গে বৈঠকে এসব কথা বলেন অ্যাটকো নেতারা।
বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের এ সংকটময় মুহূর্তে সরকারকে পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়ে বিদেশি চ্যানেলে বিজ্ঞাপন প্রচার বন্ধে আইনের কঠোর প্রয়োগের সুপারিশ করেছেন তারা।
আইন বাস্তবায়ন করার জন্য সরকার যে উদ্যোগ নিয়েছে তা স্বাগত জানিয়ে চ্যানেল ২৪ ফোরের প্রধান কর্তাব্যক্তি একে আজাদ বলেন, আসছে উৎসবে সকল সাংবাদিক -কর্মচারীদের বেতন পরিশোধ করা যায় সে উদ্যোগ নিতে সরকারের কাছে সহযোগিতা চেয়েছেন।
বিজ্ঞাপন বাইরে চলে যাওয়াতে শুধু টিভিই না পত্রিকার অবস্থাও খারাপ— আসছে ঈদে অনেক টিভি মালিক বেতন দিতে পারবে কিনা সে বিষয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন একে আজাদ।
বিজ্ঞাপন সংকটে অনেক টিভির আয় কমে গেছে-- অনেক টিভি সাংবাদিক-কর্মচারীদের বেতন দিতে পারে না, চাকরিচ্যুত করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।
বিদেশি চ্যানেল থেকে বিজ্ঞাপন ফিরে এলে টেলিভিশনগুলো ঘুরে দাঁড়াতে পারবে বলে জানান ডিবিসির কর্ণধার ইকবার সোবহান চৌধুরী।
টিভিগুলোকে ডিজিটাইলেজশন করতে একবছরের সময় বেধে দিতে তথ্যমন্ত্রীর কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন মাছরাঙা টিভির কর্ণধার অঞ্জন চৌধুরী।
ক্লিন ফিট নিশ্চিত করতে হবে, বিদেশি চ্যানেলে বিজ্ঞাপন বন্ধ করতে সরকারি উদ্যোগ নেয়ার কথা জানান তিনি।