জাতীয়

২৫ তারিখের পর বিজিএমইএ ভবন ভাঙা শুরু হবে: গণপূর্ত মন্ত্রী

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম
গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম

রাজধানীর হাতিরঝিলে নির্মিত গার্মেন্টস মালিক সংগঠনের প্রধান কার্যালয় বিজিএমইএ ভবন অবৈধভাবে প্ল্যান ছাড়া নির্মাণ করা হয়েছে বলে জানান গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

বুধবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

এরইমধ্যে ভবন ভাঙার উদ্যোগ নিতে দখলে নেয়া হয়েছে—এ কথা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ভাঙার সময় যাতে দুর্ঘটনা না ঘটে সেজন্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

র্যাং স প্লাজা অপসারণে দুর্ঘটনার উদাহরণ টেনে মন্ত্রী জানান বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি অবলম্বন করা হবে।

সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন দেয়া হয়েছে, ২৪ তারিখের মধ্যে ভাঙা হবে-যদি কোনো কোম্পানি শর্ত মেনে না আসে তবে নিজেরাই ভাঙার উদ্যোগ নিতে হবে জানান মন্ত্রী।

মন্ত্রী জানান, দেশীয় প্রতিষ্ঠান না এলে কিংবা রাউজক না পারলে বিদেশি অভিজ্ঞ কোম্পানি ভাড়া করে আনা হবে।

তিনি আরো জানান, যে ডিনামাইট এ বিল্ডিং ভাঙার জন্য ব্যবহার করার কথা এসেছে, সেটা বিধ্বংসী কোনো বোমা নয়, এটা ভবন অপসারণের বৈজ্ঞানিক উপায়।

আগামী ২৫ তারিখে সিদ্ধান্ত হবে কোনো প্রতিষ্ঠান কাজ করবে, তার এক সপ্তাহের মধ্যেই কাজ শুরু হবে—তিন মাসের মধ্যে পুরোপুরি অপসারণ করা হবে বলেও জানান মন্ত্রী।

রাজধানীতে ২৪টি পরিদর্শন টিম কাজ করছে ঝুঁকিপূর্ণ ভবন চিহ্নিত করতে—এ কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, কাজ শেষ হলে কাজ শুরু হবে।

রাজধানীর হাতিরঝিলে অবৈধভাবে নির্মিত গার্মেন্টস মালিক সংগঠনের প্রধান কার্যালয় বিজিএমইএ ভবন ভাঙতে আরও এক বছর সময় চেয়ে চেম্বার আদালতে আবেদন করেছে সংগঠনটি। মঙ্গলবার সকাল ৯টার কিছু পরে আনুষ্ঠানিক ভাবে ভবন ভাঙার কাজ শুরু করে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)।

এদিকে, আরও এক দফা সময় বাড়িয়ে, বিজিএমইএ ভবনে থাকা অফিস সরিয়ে নিতে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত নির্ধারণ করে রাজউক। বিকাল ৫ টার পর ভবনটি সিলগালা করে দেয়া হয়। সেনাবাহিনীর মাধ্যমে চীনা বিশেষজ্ঞদের সহায়তায় নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরণের মাধ্যমে ভবন ভাঙা হবে বলে জানানো হয়েছে।

গতকাল সকালে বিজিএমইএয়ের বহুতল ভবন ভাঙার কার্যক্রমে আসে রাজউকের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জেসমিন আক্তার।

তিনি বলেন, ডিনামাইট দিয়ে এই ভবন ভাঙতে সপ্তাহ সময় লাগবে।

ভবন ভাঙা শুরুর আগে মালামাল সরাতে সময় দেয় রাজউক। এরআগে, এক্সিম ব্যাংকের ভল্ট সরাতে দুই ঘন্টা সময় বেধে দেয় তারা।

এছাড়া বিজিএমইএয়ের মূল সার্ভারও সরানো হয়নি। বিজিএমইএ ভবনের সব ইউটিলিটি সার্ভিস- গ্যাস বিদ্যুৎ, পানি, টেলিফোন লাইনসহ সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়।

এর আগে রাজউক জানায়, ভবনটি ভাঙতে বিজিএমইএয়েকে দেয়া সময় পার হয়ে যাওয়ার পরই সরকার এই ভবনটি ভাঙার কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে। ভবনটি ভাঙার জন্য রাজউকের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।

২০১৬ সালের নভেম্বরে ভবন ভাঙার নির্দেশ দিয়ে আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করা হয়। রিভিউ আবেদন করেও কাজ না হলে মুচলেকা দিয়ে গেল ১২ই এপ্রিল পর্যন্ত এই ভবনে থাকার অনুমতি নেয় বিজিএমইএ।

দেশটিভি/আরসি
দেশ-বিদেশের সকল তাৎক্ষণিক সংবাদ, দেশ টিভির জনপ্রিয় সব নাটক ও অনুষ্ঠান দেখতে, সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল:

এছাড়াও রয়েছে

সিলেটে ভোক্তা অধিদপ্তর ও সিসিএস-এর সচেতনতামূলক সভা

ট্রাফিক আইন মেনে চলার সংস্কৃতি গড়ে তুলুন: প্রধানমন্ত্রী

চোরাগলি দিয়ে সরকার উৎখাতের সুযোগ নেই: ওবায়দুল কাদের

এক বছরে সড়ক দুর্ঘটনা ৫৩৭১, মৃত্যু ৬২৮৪ জনের

খুলনায় দুই দিনের ‘পরিবহন ধর্মঘট’ চলছে

২৫ অক্টোবর আংশিক সূর্যগ্রহণ

ভোজ্যতেল নিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রীর কড়া হুঁশিয়ারি

সুদানে জাতিগত সংঘর্ষ নিহত অন্তত ১৫০

সর্বশেষ খবর

স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার নারী দিবস উদযাপন

শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ করলেন মোস্তাফিজুর রহমান

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ইউল্যাব’ শিক্ষার্থীদের ফটোওয়াক

ভান্ডারিয়া ও মঠবাড়িয়ায় পৌর প্রশাসক নিয়োগ