ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে ও তার সঙ্গে কথা বলে দলীয় সিদ্ধান্তে সংসদে এসেছি— দেশে গণতন্ত্র নেই। কথা বলার সুযোগ নেই। তাই কথা বলতে সংসদে এসেছি জানান চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসন থেকে নির্বাচিত বিএনপির সংসদ সদস্য মো. হারুন অর রশীদ।
সোমবার বিকেলে শপথগ্রহণ শেষে সংসদ ভবনের বাইরে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ দলীয় নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে যে মামলার জট রয়েছে, সবকিছুর বিরুদ্ধে আইনি লড়াই চালিয়ে যাওয়া হবে। ২৯ এপ্রিল একাদশ সংসদের সদস্য হিসেবে শপথ নেয়ার শেষ দিন। আমাদের দল এই বিতর্কিত নির্বাচন মেনে নেয়নি। এ নির্বাচন নিয়ে অনেক কথা আছে, বিতর্ক আছে। তবু ভোটারদের চাপ আছে। আমরা দলীয় সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় ছিলাম।
শেষ পর্যন্ত দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে কথা বলে আমরা সংসদে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমরা সংসদেও পুনঃনির্বাচনের দাবি জানাবো বলেন তিনি।
আপনারা কি মনে করছেন মির্জা ফখরুল সাহেবও শপথ নেবেন? জবাবে হারুন বলেন, ‘এ ব্যাপারে আমি মন্তব্য করব না।
হারুন অর রশীদ বলেন, আমরা দলীয় সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় ছিলাম। আসলে এ সংসদ জনগণের প্রতিনিধিত্ব করছে না। জনগণের ভোটে এ সরকার নির্বাচিত হয়নি। ৩০ ডিসেম্বর নির্বাচন হয়নি। যে কারণে বিএনপি ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট এ নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করেছে। নির্বাচনে যে ফল মানুষ প্রত্যাশা করেছিল, তা পায়নি। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে আমরা শপথ নিয়েছি। ভোট চুরির মাধ্যমে দেশের গণতন্ত্র ধ্বংস করা হয়েছে। চুরি করে ক্ষমতায় আসার জন্য সংবিধান সংশোধন করা হয়েছে। এটিকে ঠিক করার দায়িত্ব সরকারের। কীভাবে জনগণের প্রতিনিধির মাধ্যমের সরকার গঠন করা যায় সে দায়িত্ব সরকারের।
বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী নির্বাচিত বিএনপির চার সংসদ সদস্যকে শপথবাক্য পাঠ করান।
এদিন শপথ নিয়েছেন বগুড়া-৪ আসন থেকে নির্বাচিত মোশারফ হোসেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনের মো. আমিনুল ইসলাম, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনে মো. হারুন অর রশীদ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে আবদুস সাত্তার ভূঁইয়া।
এর আগে শপথ নিয়েছেন ঠাকুরগাঁও-৩ আসনের জাহিদুর রহমান জাহিদ ও গণফোরামের মোকাব্বির খান এবং সুলতান মোহাম্মদ মনসুর।