বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বহরে যুক্ত হয়েছে সর্বাধুনিক ড্রিমলাইনার ‘সোনার তরী’। বোয়িং ৭৮৭-৯ সিরিজের ড্রিমলাইনারটি যুক্তরাষ্ট্রের সিয়াটল থেকে টানা প্রায় ১৪ ঘণ্টা উড়ে শনিবার সন্ধ্যা ৬টা ৩ মিনিটে শাহজালালের রানওয়ে স্পর্শ করে। এরপর প্রথা অনুযায়ী ওয়াটার ক্যানন স্যালুটের মাধ্যমে সেটিকে বরণ করে নেয়া হয়।
একই মডেলের আরেকটি উড়োজাহাজ ‘অচিন পাখি’ আগামী ২৪ ডিসেম্বর দেশে আসার কথা রয়েছে। ২৮ ডিসেম্বর ড্রিমলাইনার দুটির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর আগে গত শুক্রবার সিয়াটলের স্থানীয় সময় দুপুর সাড়ে ১২টায় সোনার তরী এভারেট এয়ার ফিল্ড ত্যাগ করে।
যাত্রার আগে বোয়িং কর্তৃপক্ষ বিমানকে আনুষ্ঠানিকভাবে ড্রিমলাইনারটি হস্তান্তর করে। অনুষ্ঠানে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের চেয়ারম্যান এয়ার মার্শাল (অব) এনামুল বারি, অর্থ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব কবিরুল ইয়াজদানী খান, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব ড. মো. মোশারফ হোসেন সোনার তরী বুঝে নেন।
বিমানের উপমহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) তাহেরা খন্দকার জানান, আগের ৭৮৭-৮ সিরিজের ড্রিমলাইনারগুলোর আসন সংখ্যা ২৭১টি। কিন্তু ৭৮৭-৯ সিরিজের সোনার তরী ও অচিন পাখিতে ২৯৮টি করে আসন রয়েছে। এর মধ্যে বিজনেস ক্লাস ৩০টি, প্রিমিয়াম ইকোনমি ক্লাস ২১টি এবং ২৪৭টি ইকোনমি ক্লাসের আসন আছে। এ উড়োজাহাজের দৈর্ঘ্য ২০৬ ফুট। জ্বালানি সাশ্রয়ী হিসেবে পরিচিত ড্রিমলাইনারটি টানা প্রায় ১৪ হাজার কিলোমিটার উড়তে পারে। সোনার তরী যুক্ত হওয়ার মধ্য দিয়ে বিমানবহরে উড়োজাহাজের সংখ্যা দাঁড়ালো ১৭টিতে। অচিন পাখি এলে যা ১ তে উন্নীত হবে।