দীর্ঘ দুই মাসেরও বেশি সময় বন্ধ থাকার পর কোভিড-১৯ বিস্তারের মধ্যেই নৌপথে যাত্রী পরিবহন শুরু হয়েছে। সংক্রমণের ঝুঁকি নিয়েই সারাদেশের নৌঘাট থেকে লঞ্চ চলাচল শুরু হয়েছে রোববার সকাল থেকে।
রোববার সকাল পৌনে ৭টার দিকে প্রথম যাত্রীবাহী লঞ্চ এমভি সোনারতরী চাঁদপুরের উদ্দেশ্যে সদরঘাট ছেড়ে যায়।
দেশের দক্ষিণাঞ্চলে ঢাকা-বরিশালসহ ৩৪টি জেলায় লঞ্চ ও সরকারি স্টিমার চলাচল শুরু হয়েছে সকাল থেকে।
সকাল ৮টায় ঢাকার লালকুঠি এলাকা থেকে বরিশালের উদ্দেশে রওনা হয়েছে গ্রিন লাইন ওয়াটার সার্ভিস। এরপর বেলা ১১টা থেকে ঢাকা থেকে চাঁদপুরগামী লঞ্চ ও শরীয়তপুরের উদ্দেশে চলাচল শুরু হয়।
বিকাল ৫টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালী ও পিরোজপুরের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করবে একাধিক লঞ্চ। এ ছাড়া সন্ধ্যা ৬টায় সরকারি স্টিমার মধুমতি বাদামতলী ঘাট থেকে বরিশাল, মোরেলগঞ্জ ও খুলনার উদ্দেশে ছেড়ে যাবে।
এদিকে আজ সকালে চাঁদপুর লঞ্চঘাট থেকে রাজধানীর সদরঘাটের উদ্দেশে চাঁদপুর ত্যাগ করেছে বেশ কয়েকটি লঞ্চ।
এমভি সোনারতরী পর সদরঘাট থেকে একে একে এমভি গাজী এক্সপ্রেস -৪ জামাল-৪, পুবালী ও বোগদাদীয়া শরীয়তপুরের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়।
সকাল ৮টায় বরিশালের উদ্দেশ্যে সদরঘাট থেকে ছেড়ে যায় গ্রীন লাইন।
এ বিষয়ে বিআইডব্লিউটিএর যুগ্ম পরিচালক মো. আলমগীর যুগান্তরকে বলেন, রোববার সকাল থেকে লঞ্চ চলাচল শুরু হয়েছে। সারাদেশের লঞ্চঘাটগুলো থেকেই লঞ্চ ছেড়ে গেছে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে এসব লঞ্চ চলছে। মাস্ক না থাকলে কাউকে লঞ্চে উঠতে দেয়া হচ্ছে না।
প্রসঙ্গত, করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় ২৬ মার্চ থেকে চলা সাধারণ ছুটির মেয়াদ না বাড়িয়ে ৩১ মে থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে অফিস খোলা রাখার পাশাপাশি গণপরিবহন চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।