বঙ্গবন্ধু সেতুর নির্মাণ ব্যয়ের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ টোল আদায় করা হলেও ২০৩৪ সাল পর্যন্ত উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার সমূহতে গৃহীত ঋণ সেতু হতে আদায়কৃত টোলের মাধ্যমে পরিশোধ সম্পন্ন হবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
তিনি বলেছেন, বঙ্গবন্ধু সেতু চালু হওয়ার পর হতে এই পর্যন্ত টোল বাবদ আদায় করা হয়েছে ৬ হাজার ৪৩৪ কোটি ৩ লাখ টাকা।
রোববার (৬ জুন) সংসদ অধিবেশনে বিরোধী দল জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য শামীম হায়দার পাটোয়ারীর প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী একথা বলেন। এর আগে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে এ দিনের কার্যসূচি শুরু হয়।
সেতুমন্ত্রী বলেন, সেতু বিভাগের আওতাধীন সংস্থা বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ কর্তৃক বাস্তবায়িত বর্তমানে দুইটি সেতু রয়েছে। বঙ্গবন্ধু সেতু এবং বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী (মুক্তারপুর) সেতু। বঙ্গবন্ধু সেতু (১৯৯৮ সাল থেকে) চালু হওয়ার পর হতে এই পর্যন্ত টোল বাবদ আদায় করেছে ৬ হাজার ৪৩৪ কোটি ৩ লাখ টাকা। সেতু নির্মাণ ব্যয় ৩ হাজার ৭৪৫ কোটি ৬০ লাখ টাকা।
তিনি আরও বলেন, আদায়কৃত অর্থ হতে সেতুর রক্ষণাবেক্ষণসহ সেতু কর্তৃপক্ষের অন্যান্য আনুষঙ্গিক ব্যয় নির্বাহের পর এই সেতু নির্মাণের উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা সমূহের ঋণ পরিশোধ করা হয়ে থাকে। তবে বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার দ্বিগুণেরও বেশি বেড়ে যাওয়ায় (Amortization Schedule অনুযায়ী) উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার সমূহতে গৃহীত ঋণ সেতু হতে আদায়কৃত টোলের মাধ্যমে ২০৩৪ সাল নাগাদ পরিশোধ সম্পন্ন হবে। / বার্তা