দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ১০৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এটি এ পর্যন্ত দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মৃত্যু। এ নিয়ে দেশে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১৩ হাজার ৭৭৬ জনে। মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৫৯ শতাংশ।
একই সময়ে নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ৫ হাজার ৮৬৯ জন। এ নিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে আট লাখ ৭৮ হাজার ৮০৪ জনে।
শুক্রবার (২৫ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনামুক্ত হয়েছেন ২ হাজার ৭৭৬ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ৭ লাখ ৯৭ হাজার ৫৫৯ জন। এ সময় ২৮ হাজার ২৪৭ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। পরীক্ষা করা হয়েছে ২৭ হাজার ৬৫৩টি। নমুনা পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ২১ দশমিক ৯৩ শতাংশ। দেশে এ পর্যন্ত মোট নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৬৪ লাখ ৬৩ হাজার ১১৯টি। মোট পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৬০ শতাংশ।
মারা যাওয়া ১০৮ জনের মধ্যে ২৭ জনই খুলনার। এছাড়া ঢাকায় ২৫, চট্টগ্রামে ২৩, রাজশাহীতে ১৬, সিলেটে ৩, রংপুরে ১০ এবং ময়মনসিংহে ৪ জন মারা গেছেন। মারা যাওয়াদের মধ্যে ৭৫ জন পুরুষ এবং ৩৩ জন নারী। এদের মধ্যে ১১ জন বাসায় মারা গেছেন। বাকিরা হাসপাতালে মারা গেছেন। এ পর্যন্ত ভাইরাসটিতে মোট মারা যাওয়া ১৩ হাজার ৯৭৬ জনের মধ্যে পুরুষ ৯ হাজার ৯৯৫ জন এবং নারী ৩ হাজার ৯৮১ জন।
বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়াদের মধ্যে ৫৮ জনের বয়স ৬০ বছরের বেশি। এছাড়া ৫১ থেকে ৬০ বছরের ২৫, ৪১ থেকে ৫০ বছরের ১৫, ৩১ থেকে ৪০ বছরের ৭, ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে ২ জন এবং ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে ১ জন রয়েছেন।
গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম তিন জন করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে সংক্রমণ। গত বছরের শেষ দিকে এসে সংক্রমণ কমতে থাকে। তবে এ বছরের মার্চ থেকে সংক্রমণ আবারও বাড়তে থাকে। গত ১৯ এপ্রিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর মহামারিকালে একদিনে সর্বোচ্চ ১১২ জনের মৃত্যুর খবর জানায়।