মহামারি করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়ে সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ২৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। প্রায় চারমাস পরে একদিনে সর্বনিম্ন মৃত্যু।
এ নিয়ে করনায় মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়ালো ২৭ হাজার ২শ' ৫১ জনে। একই সময়ে ১ হাজার ৫৫৫ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১৫ লাখ ৪৪ হাজার ২৩৮ জন।
আজ সোমবার (২০শে সেপ্টেম্বর) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এর আগে গত ২৭শে মে ২২ জনের মৃত্যুর তথ্য জানায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সে হিসাবে তিন মাস ২৪ দিন পর সবচেয়ে কম মৃত্যু হলো। আজ মৃত ২৬ জনের মধ্যে পুরুষ ১১ জন ও নারী ১৫ জন। এদের মধ্যে সরকারি হাসপাতালে ২৩ জন ও বেসরকারি হাসপাতালে তিনজনের মৃত্যু হয়। ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যুহার ১ দশমিক ৭৬ শতাংশ।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে সরকারি-বেসরকারি ৮১০টি ল্যাবরেটরিতে ২৭ হাজার ৮০০টি নমুনা সংগ্রহ ও ২৭ হাজার ৪৩১টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এ নিয়ে মোট নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা দাঁড়ালো ৯৪ লাখ ৬৫ হাজার ৮৭টি।
২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষায় শনাক্তের হার ৫ দশমিক ৬৭ শতাংশ। গত বছরের ৮ মার্চ প্রথম রোগী শনাক্ত হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত শনাক্তের মোট হার ১৬ দশমিক ৩২ শতাংশ।
গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে উঠেছেন এক হাজার ৫৬৫ জন। এ নিয়ে দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে ওঠা রোগীর সংখ্যা ১৫ লাখ তিন হাজার ১০৬ জন। সুস্থতার হার ৯৭ দশমিক ৩৪ শতাংশ।
বিভাগওয়ারি হিসাবে দেখা গেছে, ঢাকা বিভাগে ১৫ জন, চট্টগ্রামে পাঁচজন, খুলনায় দুইজন, বরিশালে একজন, সিলেটে একজন, রংপুরে একজন ও ময়মনসিংহ বিভাগে একজনের মৃত্যু হয়।
উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহানে প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। এরপর গত বছরের ১১ই মার্চ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) করোনাকে ‘বৈশ্বিক মহামারি’ হিসেবে ঘোষণা করে।
এর আগে একই বছরের ২০শে জানুয়ারি বিশ্বজুড়ে জরুরি পরিস্থিতি ঘোষণা করে সংস্থাটি। এখন পর্যন্ত বিশ্বের ২১৮টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯)।