যমুনা নদীর উপর বঙ্গবন্ধু সেতুতে দ্বিতীয় দফায় বাড়ানো টোল কার্যকর না করার নির্দেশনা দিয়েছে মন্ত্রণালয়। ‘অনিবার্য কারণ’ দেখিয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় বাড়তি টোল মঙ্গলবার (১৬ নভেম্বর) থেকে কার্যকর না করতে নির্দেশনা দিয়েছে। বঙ্গবন্ধু সেতু সাইট কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী আহসানুল কবীর পাভেল গণমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সোমবার (১৫ নভেম্বর) রাত ১২টার পর থেকে এটি কার্যকর হওয়ার কথা ছিলো।
প্রকৌশলী আহসানুল কবীর পাভেল জানান, সোমবার (১৫ নভেম্বর) রাত ১২টা থেকে বঙ্গবন্ধু সেতুর ওপর দিয়ে চলাচলকারী পরিবহন থেকে সরকার ঘোষিত বাড়তি টোল আদায় শুরু হওয়ার কথা ছিলো। সে উপলক্ষে সব ধরনের প্রস্ততিও নেওয়া হয়। তবে অনিবার্য কারণে রাতে মন্ত্রণালয় থেকে বাড়তি টোল আদায় কার্যক্রম শুরু না করতে নির্দেশনা এসেছে। ফলে পরিবহন থেকে বাড়তি টোল আদায় হচ্ছে না। আগের হারেই টোল দিয়ে চালকরা সেতু পারাপার হতে পারবেন। কবে নাগাদ এটি কার্যকর করা হবে সে বিষয়ে কোনও নির্দেশনা আসেনি বলে জানান তিনি।
এর আগে, গত ২ নভেম্বর বঙ্গবন্ধু সেতুতে টোল আদায় বৃদ্ধি নিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের উপসচিব (উন্নয়ন) মোহাম্মদ আনোয়ারুল নাসের-এর স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে এই তথ্য জানানো হয়েছিলো। এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারির পরদিন থেকেই বঙ্গবন্ধু সেতুতে পারাপার হওয়া যানবাহন চালকদের মধ্যে টোল বৃদ্ধি করে জারি করা প্রজ্ঞাপনসহ নিজস্ব উদ্যোগে লিফলেট ছাপিয়ে প্রচার প্রচারণা শুরু করে সেতু কর্তৃপক্ষ।
২০১১ সালে বঙ্গবন্ধু সেতুতে টোল ফি বাড়ানো হয়। তখন থেকে মোটরসাইকেলে ৪০ টাকা, হালকা যানবাহন (কার, জিপ) ৫০০ টাকা, ছোট বাস ৬৫০ টাকা, বড় বাস ৯০০ টাকা, ছোট ট্রাক ৮৫০ টাকা, মাঝারি ট্রাক ১১০০ টাকা, বড় ট্রাক ১২৫০ থেকে ১৪০০ টাকা করে টোল আদায় করা হচ্ছে।