জাতীয়

জাতির পিতার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস আজ

বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস আজ
বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস আজ

আজ ১০ই জানুয়ারি। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস।

পাকিস্তানের নির্জন কারাপ্রকোষ্ঠ থেকে মুক্তি পেয়ে ১৯৭২ সালের এই দিনে স্বাধীনতার মহান স্থপতি ফিরে আসেন তার স্বপ্নের স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে। পূর্ণতা পায় লাখো শহিদের রক্তে মেলা স্বাধীনতা।

তর্জনী উঁচিয়ে দরাজ কণ্ঠে স্বাধীনতার ডাক দিলেন মুক্তির কবি। দিলেন স্বাধীনতা যুদ্ধের দিক নির্দেশনাও। ২৬শে মার্চের প্রথম প্রহরেই হানাদাররা গ্রেপ্তার করে বঙ্গবন্ধুকে। এর আগেই তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।

তিনদিন ঢাকা সেনানিবাসে রাখার পর তাকে নিয়ে যাওয়া হয় পাকিস্তানে। বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ডাকে তখন মুক্তিকামী মানুষ ঝাঁপিয়ে পড়ে দেশমুক্তির যুদ্ধে। টানা ৯ মাস যুদ্ধ শেষে আত্মসমর্পন করে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী।

শক্রমুক্ত হলো দেশ, বাঁধাহীন উড়লো লাল সবুজের পতাকা। কিন্তু স্বাধীনতার পূর্ণতা তখনো আসেনি। কারণ স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি তখনো শত্রুর কারাপ্রকোষ্ঠে।

আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য আমির হোসেন আমু বলেন, 'মুক্তিযুদ্ধ চলাকালিন অবস্থায় যখন বিভিন্ন দেশের কংগ্রেস ম্যান, সিনেটার রেড ক্রিসেন্টের, বড় বড় কর্মকর্তারা ভারতের বিভিন্নশরণার্থী শিবির পরিদর্শনকালে জিজ্ঞাসা করেন, দেশ স্বাধীন হলে আপনারা ফিরে যাবেন কিনা? তাদের একটি মাত্র উত্তর ছিল বঙ্গবন্ধু ফিরলে আমরাও যাবো। স্বাধীনতার পূর্ণতা বঙ্গবন্ধু ছাড়া চিন্তা করা যেতনা।'

যুদ্ধ বিজয়ের তিন সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও বঙ্গবন্ধু মুক্তি না পাওয়ায় উৎকণ্ঠায় ছিল সাড়ে সাত কোটি বাঙালী। সেই দিনগুলো কেমন কেটেছিল তার পরিবারের?

বঙ্গবন্ধুর ভাগ্নে শেখ শহীদুল ইসলাম বলেন, 'বঙ্গবন্ধুর কি হয়, কখন ফিরবেন, আদো ফিরতে পারবেন কিনা এই চিন্তায় শঙ্কা ও দিধার মধ্যে আমরা সবাই দিন কাটাচ্ছিলাম সে সময়।'

ঢাকা সেনানিবাস, পাকিস্তানের চারটি কারাগার এবং একটি গেস্ট হাউজ মিলিয়ে বঙ্গবন্ধুকে বন্দী রাখা হয় ২৮৮ দিন। অবশেষে সিহালা গেস্ট হাউজ থেকে বাহাত্তরের ৮ই জানুয়ারী মুক্তি পান বঙ্গবন্ধু। সেখান থেকে রওনা দেন লন্ডনের উদ্দেশ্যে।

যুক্তরাজ্যের সরকার বঙ্গবন্ধুর দেশে ফেরার জন্য একটি সরকারি বিমানের ব্যবস্থা করেন। লন্ডন থেকে দিল্লী যান জাতির পিতা। সেখানে ইন্দিরা গান্ধীর উপস্থিতিতে বিশাল জনসভায় ভাষণ দেন বঙ্গবন্ধু।

অবশেষে আসে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। ১৯৭২ সালের ১০ই জানুয়ারি, দুপুর ১টা ৪১ মিনিট। দেশের মাটিতে পা রাখলেন জাতির পিতা। চারিদিকে জনতার বাঁধভাঙা উল্লাস। এ উল্লাস বিজয়ের পূর্ণতার।

লাখো জনতার অভিবাদনে সিক্ত হয়ে বঙ্গবন্ধু আবারও ফিরলেন সেই ময়দানে। যেখানে দাঁড়িয়ে তিনি দিয়েছিলেন মুক্তি সংগ্রামের ডাক। স্বাধীন দেশে ফিরে অশ্রুবদনে এবার ডাক দিলেন দেশ গড়ার।

দেশটিভি/এমএ
দেশ-বিদেশের সকল তাৎক্ষণিক সংবাদ, দেশ টিভির জনপ্রিয় সব নাটক ও অনুষ্ঠান দেখতে, সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল:

এছাড়াও রয়েছে

সিলেটে ভোক্তা অধিদপ্তর ও সিসিএস-এর সচেতনতামূলক সভা

ট্রাফিক আইন মেনে চলার সংস্কৃতি গড়ে তুলুন: প্রধানমন্ত্রী

চোরাগলি দিয়ে সরকার উৎখাতের সুযোগ নেই: ওবায়দুল কাদের

এক বছরে সড়ক দুর্ঘটনা ৫৩৭১, মৃত্যু ৬২৮৪ জনের

খুলনায় দুই দিনের ‘পরিবহন ধর্মঘট’ চলছে

২৫ অক্টোবর আংশিক সূর্যগ্রহণ

ভোজ্যতেল নিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রীর কড়া হুঁশিয়ারি

সুদানে জাতিগত সংঘর্ষ নিহত অন্তত ১৫০

সর্বশেষ খবর

স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার নারী দিবস উদযাপন

শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ করলেন মোস্তাফিজুর রহমান

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ইউল্যাব’ শিক্ষার্থীদের ফটোওয়াক

ভান্ডারিয়া ও মঠবাড়িয়ায় পৌর প্রশাসক নিয়োগ