আজ সন্ধ্যা ৬ টা থেকে প্রতি কেজি এলপিজির দাম আগের মাসের চেয়ে ৫ টাকা ১৭ পয়সা বা ৫ দশমিক ২৬ শতাংশ বাড়িয়ে ১০৩ টাকা ৩৪ পয়সা নির্ধারণ করেছে সরকার।
সেই হিসাবে,বাসা বাড়িতে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ১২ কেজি ওজনের একটি এলপিজির সিলিন্ডারের দাম হবে মুসকসহ ১ হাজার ২৪০ টাকা। জানুয়ারি মাসে যার দাম ছিল ১ হাজার ১৭৮ টাকা। এখন থেকে ১২ কেজি ওজনের একটি এলপজির জন্য অন্তত ৬২ টাকা বেশি লাগবে গ্রাহকদের।
নতুন মাসে এলপিজির মূল উপাদন প্রোপেন ও বিউটনের আন্তর্জাতিক মূল্য বা সিপি প্রতি টন ৭৭৫ ডলার ঠিক করা হয়েছে। সেই হিসাবে এই দুই গ্যাসীয় দ্রব্যের ৩৫:৬৫ মিশ্রণের মূল্যও দাঁড়ায় প্রতিটন ৭৭৫ ডলার।
জানুয়ারি মাসে এ মিশ্রণের মূল্য ছিল ৭২০ দশমিক ৫০ ডলার। সেই পার্থক্য বিবেচনায় নিয়ে ঠিক করা হয়েছে নতুন মাসের মূল্যহার।
আবারও বাড়ল রান্নার কাজে ব্যবহৃত তরল পেট্রোলিয়াম গ্যাস বা এলপিজির দাম। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনে এলপিজির নতুন দাম ঘোষণা করেছে।
নতুন ঘোষণা অনুযায়ী রেটিকুলেটেড এলপিজির দাম ঠিক হয়েছে ১০০ টাকা ১০ পয়সা যা জানুয়ারি মাসে ৯৪ টাকা ৯৪ পয়সা ছিল।
যানবাহনে ব্যবহৃত অটোগ্যাসের দাম ধরা হয়েছে মূসকসহ ৫৭ টাকা ৮১ পয়সা, আগের মাসে ছিল ৫৪ টাকা ৯৪ পয়সা।
টানা পাঁচ মাস দাম বাড়ার পর গত ডিসেম্বরে এলপিজির দাম কমে। জানুয়ারিতেও দাম ৪ শতাংশ কমে যায়। তবে ফেব্রুয়ারিতে এসে তা বেড়ে গেল ৫ শতাংশ।
নতুন মূল্য হার অনুযায়ী, এলপিজির সাড়ে ৫ কেজির সিলিন্ডারের দাম ৫৬৮ টাকা, ১২ কেজি সিলিন্ডার ১২৪০ টাকা, সাড়ে ১২ কেজি ১২৯২ টাকা, ১৫ কেজি ১৫৫০ টাকা, ১৬ কেজি ১৬৫৩ টাকা, ১৮ কেজি ১৮৬০ টাকা, ২০ কেজি ২০৬৭ টাকা, ২২ কেজি ২২৭৩ টাকা, ২৫ কেজি ২৫৮২ টাকা, ৩০ কেজি ৩১০০ টাকা, ৩৩ কেজি ৩৪১০ টাকা, ৩৫ কেজি ৩৬১৭ টাকা ও ৪৫ কেজির বোতল ৪৬৫০ টাকা ঠিক করা হয়েছে।
বিইআরসির চেয়ারম্যান আব্দুল জলিল সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ইতোমধ্যে পাইপলাইনে গ্যাস সরবরাহকারী সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোও মার্জিন বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে। আর পেট্রোবাংলা প্রস্তাব দিয়েছে গ্যাসের খুচরা মূল্য বাড়ানোর।
“তাদের প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়েছে এবং এসব প্রস্তাবের ওপর পর্যালোচনা, কারিগরি কমিটির বিশ্লেষণ ও গণশুনানি শেষে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”