জাতীয়

বাছিরের ৮ বছর, মিজানের ৩ বছর কারাদণ্ড

অবশেষে শাস্তি পেলেন বাছির ও মিজান
অবশেষে শাস্তি পেলেন বাছির ও মিজান

অডিও কথোপথন গণমাধ্যমে প্রকাশ হওয়ার জেরে অবশেষে ফেসে গেলেন বরখাস্ত দুদক পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছির ও আরেক বরখাস্ত ডিআইজি মিজানুর রহমান। এই দুজনকেই আজ ভিন্ন মেয়াদে শাস্তি দিয়েছেন আদালত। এর মধ্যে এনামুল বাছিরকে দুই মামলায় আট বছরের কারাদণ্ড এবং মিজানুর রহমানকে তিন বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। অবৈধভাবে তথ্যপাচার ও ঘুষ লেনদেনের মামলায় আসামিদের উপস্থিতিতে বুধবার এ রায় ঘোষণা দেন ঢাকার ৪ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক শেখ নাজমুল আলম।

দুদক ও আসামি পক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষে আসামিদের উপস্থিতিতে ঢাকার ৪ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক শেখ নাজমুল আলম গত ১০ ফেব্রুয়ারি আজ রায় ঘোষণার এ দিন ঠিক করেন। বাছিরের পক্ষে তার আইনজীবী সৈয়দ রেজাউর রহমান এদিন আদালতে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ করেন। মিজানুরের পক্ষে যুক্তি দেন আইনজীবী এহসানুল হক সমাজী।

এক নারীকে জোর করে বিয় ও নির্যাতনের অভিযোগে ২০১৯ সালে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনারের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় মিজানুর রহমানকে।এরপর তার অবৈধ সম্পদের খোজে নামে দুদক। সেই অনুসন্ধানের দায়িত্ব পান কমিশনের তৎকালীন পরিচালক এনামুল বাছির।

মিজান দাবি করেন, অনুসন্ধান চলাকালে তার কাছ থেকে ৪০ লাখ টাকা ঘুষ নিয়েছেন দুদক কর্মকর্তা বাছির। এই ইস্যুতে তাদের কথোপকথনের কয়েকটি অডিও ক্লিপ একটি টেলিভিশনকে দেন তিনি। ওই অডিও প্রচার হওয়ার পর নানা সারাদেশে ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়। ঘুষের অভিযোগ ওঠার পর তাদের দু'জনকেই সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। ২০২০ বছরের ২২ জুলাই এনামুল বাছিরকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর গ্রেপ্তার করা হয় ডিআইজি মিজানকেও।

সেই মামলার রায় হল আজ। ৪০ লাখ টাকার ঘুষ কেলেঙ্কারির অভিযোগে ২০১৯ সালের ১৬ জুলাই দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১-এ দুদকের পরিচালক শেখ মো. ফানাফিল্লাহ বাদী হয়ে মামলা করেন। ২০২০ সালের ১৯ জানুয়ারি তাদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। একই বছরের ১৮ মার্চ আসামিদের অব্যাহতির আবেদন নাকচ করে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত।

এক নারীকে জোর করে বিয়ের পর নির্যাতন চালানোর অভিযোগ আসায় ২০১৯ সালে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনারের পদ থেকে মিজানুর রহমানকে সরিয়ে দেওয়া হয়। এর চার মাস পর তার অবৈধ সম্পদের অনুসন্ধান চালায় দুদক। সেই অনুসন্ধানের দায়িত্ব পান কমিশনের তৎকালীন পরিচালক এনামুল বাছির।

অনুসন্ধান চলাকালে ডিআইজি মিজান দাবি করেন, তার কাছ থেকে ৪০ লাখ টাকা ঘুষ নিয়েছেন দুদক কর্মকর্তা বাছির। এর পক্ষে তাদের কথোপকথনের কয়েকটি অডিও ক্লিপ একটি টেলিভিশনকে দেন তিনি। ওই অডিও প্রচার হওয়ার পর নানা আলোচনা শুরু হয়। ঘুষের অভিযোগ ওঠার পর পরবর্তী সময়ে তাদের দু'জনকেই সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। ২০২০ বছরের ২২ জুলাই এনামুল বাছিরকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর ডিআইজি মিজানকেও গ্রেপ্তার করা হয়।

দেশটিভি/এমএস
দেশ-বিদেশের সকল তাৎক্ষণিক সংবাদ, দেশ টিভির জনপ্রিয় সব নাটক ও অনুষ্ঠান দেখতে, সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল:

এছাড়াও রয়েছে

সিলেটে ভোক্তা অধিদপ্তর ও সিসিএস-এর সচেতনতামূলক সভা

ট্রাফিক আইন মেনে চলার সংস্কৃতি গড়ে তুলুন: প্রধানমন্ত্রী

চোরাগলি দিয়ে সরকার উৎখাতের সুযোগ নেই: ওবায়দুল কাদের

এক বছরে সড়ক দুর্ঘটনা ৫৩৭১, মৃত্যু ৬২৮৪ জনের

খুলনায় দুই দিনের ‘পরিবহন ধর্মঘট’ চলছে

২৫ অক্টোবর আংশিক সূর্যগ্রহণ

ভোজ্যতেল নিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রীর কড়া হুঁশিয়ারি

সুদানে জাতিগত সংঘর্ষ নিহত অন্তত ১৫০

সর্বশেষ খবর

স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার নারী দিবস উদযাপন

শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ করলেন মোস্তাফিজুর রহমান

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ইউল্যাব’ শিক্ষার্থীদের ফটোওয়াক

ভান্ডারিয়া ও মঠবাড়িয়ায় পৌর প্রশাসক নিয়োগ