নতুন সিইসি ও নির্বাচন কমিশনার হিসেবে প্রস্তাবিত ১০টি নাম নিয়ে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের সঙ্গে দেখা করতে গেছেন সার্চ কমিটির সদস্যরা।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সার্চ কমিটির সদস্যরা বঙ্গভবনে গেছেন। সন্ধ্যা সোয়া ৭টায় রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সার্চ কমিটির সাক্ষাতের কর্মসূচি রয়েছে বলে আগেই জানিয়েছিলেন রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন।
সার্চ কমিটির প্রস্তাবিত এই নাম থেকে একজন সিইসিসহ অনধিক পাঁচজনকে নিয়ে নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন করে দেবেন রাষ্ট্রপ্রধান, যারা দেশে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন করবে।
নাম পাওয়ার পর কবে নাগাদ নতুন সিইসি ও নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ হতে পারে- জানতে চাইলে প্রেস সচিব বলেছিলেন, “বিষয়টি সম্পূর্ণ মহামান্য রাষ্ট্রপতির এখতিয়ার। তিনি যখন মনে করবেন, তখন নিয়োগ দেবেন। রাষ্ট্রপতির আদেশের পর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ প্রজ্ঞাপন করবে।”
রাষ্ট্রপতি গঠিত এবারের সার্চ কমিটি মঙ্গলবার তাদের সপ্তম বৈঠকে ১০ জনের নাম চূড়ান্ত করে। বিচারপতি ওবায়দুল হাসান নেতৃত্বাধীন এই কমিটিতে সদস্য আছেন বিচারপতি এস এম কুদ্দুস জামান, সাবেক নির্বাচন কমিশনার মুহাম্মদ ছহুল হোসাইন, লেখক-অধ্যাপক আনোয়ারা সৈয়দ হক, মহা হিসাব নিয়ন্ত্রক ও নিরীক্ষক (সিএজি) মুসলিম চৌধুরী এবং সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) চেয়ারম্যান সোহরাব হোসাইন।
কাদের কাদের নাম প্রস্তাব করছেন, তা প্রকাশ করেনি সার্চ কমিটি। তারা বলছে, এটা প্রকাশের এখতিয়ার রাষ্ট্রপতির।
তবে সার্চ কমিটি রাজনৈতিক দলসহ সবার কাছে চাওয়ার পর যে ৩২২টি নাম এসেছিল, তা প্রকাশ করেছে।
আর সার্চ কমিটির প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান যেহেতু বলেছেন, তারা নিজেরা নতুন কোনো নাম যোগ করেননি, সেহেতু প্রস্তাবিত ১০ জনের নাম ৩২২ জনের তালিকার মধ্যে রয়েছে।
আইনে বলা হয়েছে, স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতার নীতি অনুসরণ করে দায়িত্ব পালন করবে সার্চ কমিটি। আইনে বেঁধে দেওয়া যোগ্যতা, অযোগ্যতা, অভিজ্ঞতা, দক্ষতা ও সুনাম বিবেচনা করে সিইসি পদের জন্য দুইজন এবং নির্বাচন কমিশনারের শূন্য পদের প্রতিটির জন্য দুজনের নাম তারা প্রস্তাব করবে রাষ্ট্রপতির কাছে।
সিইসি ও নির্বাচন কমিশনার পদে কাউকে সুপারিশের ক্ষেত্রে তার তিনটি যোগ্যতা থাকতে হবে। তাকে বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে; বয়স ন্যূনতম ৫০ বছর হতে হবে; কোনো গুরুত্বপূর্ণ সরকারি, বিচার বিভাগীয়, আধা সরকারি বা বেসরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত পদে বা পেশায় পদে অন্তত ২০ বছর কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।