নওগাঁ-ঠাকুরগাঁওয়ে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করতে দুটি আইনের অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।
সোমবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিসভায় ‘বঙ্গবন্ধু পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়-নওগাঁ আইন, ২০২২’ এবং ‘ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২২’ এর খসড়া নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়। সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্ব করেন।
বৈঠক শেষে সচিবালয়ে ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম এ তথ্য জানান।
তিনি আরও ১৪ বছরের শিশুরা ঝুকিঁমুক্ত শ্রমের কাজ করতে পারবে বলে নতুন আইএলও যে বিধান করেছে তাতে সমর্থন জানিয়েছে বাংলাদেশ।
বঙ্গবন্ধু পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়-নওগাঁ আইনের খসড়ার বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, এটা খসড়া আইনের মতো। আগেও বিভিন্ন জায়গায় যেভাবে বিশ্ববিদ্যালয় হয়েছে, সেই অনুযায়ী এটা হচ্ছে।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, প্রধানমন্ত্রী নওগাঁ জেলায় একটি পূর্ণাঙ্গ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে এ আইনটি আনা হয়। এখানে ৫৬টি ধারা হয়েছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য হবেন রাষ্ট্রপতি, উনি চার বছরের মেয়াদে একজন শিক্ষককে ভিসি হিসেবে নিয়োগ দেবেন। দু-জনকে উপ-উপাচার্য করবেন, একজন থাকবেন ট্রেজারার। অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো এখানে একটি তহবিল থাকবে, রেজিস্ট্রার অফিস থাকবে। খসড়া আইনে আরও বলা হয়েছে, এ বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম ও শিক্ষাক্রম পরিচালনার জন্য বিধি-প্রবিধি করে নিতে পারবেন। বিধি ও প্রবিধিতে সবকিছু ডিফাইন করা হবে।
একইভাবে ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয় আইনের বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ২০১৮ সালের ২৯ মার্চ ঠাকুরগাঁও সফরকালে প্রধানমন্ত্রী প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন ওই এলাকায় কোনো বিশ্ববিদ্যালয় নেই, সেটি করা হবে। এ বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনটিও একই।
এটিসহ দেশে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা দাড়াবে ৫২টি এবং বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে ১০৮টি বলেও জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।