অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ইফতার সামগ্রী বিক্রির দায়ে রাজধানী উত্তরার ৬ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করেছে ভোক্তা সংরক্ষণ অধিকার অধিদপ্তর।
এসময় কাপড়, জুতা ও কসমেটিকসের বিভিন্ন দোকানেও তদারকি চালায় ভোক্তা অধিদপ্তর।
শনিবার অধিদপ্তরের ঢাকা জেলার অফিস প্রধান মো. আব্দুল জব্বার মন্ডল ও ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. মাগফুর রহমানের নেতৃত্বে এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন।
এ সময় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ পাওয়ায় জনখাবার বিরিয়ানি হাউজকে পাঁচ হাজার টাকা, হাজী বাংলা খাবার হোটেলকে পাঁচ হাজার টাকা, আশা বেকারিকে পাঁচ হাজার টাকা, গাজীপুর জেলার টঙ্গী বাজার এলাকার জান্নাত এন্টারপ্রাইজকে পাঁচ হাজার টাকা, মেসার্স পাটোয়ারী ইন্টারপ্রাইজকে পাঁচ হাজার টাকা, মেসার্স তানিশা এন্টারপ্রাইজকে পাঁচ হাজার টাকাসহ ছয় প্রতিষ্ঠানকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এ বিষয়ে আব্দুল জব্বার মন্ডল গণমাধ্যমকে বলেন, আমরা অভিযানে মূলত গণপরিবহনটাকে গুরুত্ব দিয়েছি। মানুষ ঈদে বাড়ি যাচ্ছে, বিআরটিএ কর্তৃক নির্ধারিত ভাড়াই নেওয়া হচ্ছে কি না। ভাড়ার তালিকা টাঙানো আছে কি না এসব দেখেছি। কোনো অনিয়ম এখানে পাওয়া যায়নি। এছাড়াও আমরা বিভিন্ন কাপড়ের, জুতার শো রুম, দোকানে তদারকি করেছি। ইনফিনিটি, বাটাসহ নামিদামি শোরুমেও ঘুরে তদারকি করেছি।
আসন্ন ঈদকে কেন্দ্র করে ঘরমুখো মানুষ যেন কষ্ট না পায় সেজন্য বিআরটিএ কর্তৃক নির্ধারিত ভাড়া অপেক্ষা অধিক টাকায় বাসের টিকিট বিক্রি না করা, বাসের ভাড়ার তালিকা সহজে দৃশ্যমান স্থানে প্রদর্শন করতে, নকল ও ভেজাল কসমেটিকস বিক্রি না করার জন্য ব্যবসায়ীদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান মো. আব্দুল জব্বার মন্ডল।
কোনো পণ্য বা সেবা ক্রয়ে প্রতারিত হলে ভোক্তা হটলাইন ১৬১২১ নাম্বারে জানানোর জন্য অনুরোধ জানানো। এছাড়া প্রমাণসহ [email protected] ইমেইলযোগে অধিদপ্তরে অভিযোগ জানালে প্রতিকার দেওয়া হবে বলে তিনি জানান। অভিযানে এপিবিএন-১২ এর একটি টিম সার্বিক সহযোগিতা দেয়। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে অধিদপ্তর।