আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঈদযাত্রার আগাম ট্রেনের টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে গতকাল শনিবার থেকে। আজ (রবিবার) দ্বিতীয় দিনে ভিড় বেড়েছে দ্বিগুণ। রাত থেকেই শুরু হওয়া অগ্রিম টিকিট প্রত্যাশীদের লাইন বেলা গড়াতেই দীর্ঘ হয়।
টিকিট জালিয়াতির ঠেকাতে রাজধানীর কমলাপুরসহ চারটি রেলস্টেশনের টিকিট কাউন্টার কর্মীসহ (সেলার) অন্য স্টাফদের পরিবর্তন করা হয়েছে।
রবিবার রাজধানীর কমলাপুর রেলস্টেশন সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, হাজারো মানুষ টিকিটের জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন। টিকিট প্রত্যাশীরা কাউন্টারের সামনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে আছেন। কেউ কেউ রবিবার দিবাগত রাত থেকে লাইনে অবস্থান নেন। কেউবা আবার শনিবার রাতেই এসে দাড়িয়েছেন লাইনে। অনেককে আবার টিকিট না পেয়ে আশা ছেড়েদিয়ে চলে যেতেও দেখা গেছে।
দীর্ঘলাইনে অপেক্ষারত বেশিরভাগেরই ভাষ্য, অনলাইনে ট্রেনের টিকিট কাটতে না পেরে তারা কাউন্টারে এসেছেন। তবে কাউন্টারে এসেও টিকিট দিতে ধীর গতির কথা জানান তারা।
রেলওয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২৮ এপ্রিলের টিকিট দেওয়া হবে আজ ২৪ এপ্রিল (রোববার), এভাবে ২৯ এপ্রিলের টিকিট ২৫ এপ্রিল (সোমবার), ৩০ এপ্রিলের টিকিট ২৬ এপ্রিল (মঙ্গলবার) এবং ১ মের টিকিট ২৭ এপ্রিল (বুধবার) বিক্রি করা হবে।
করোনা পরবর্তী সময়ে এবারের ঈদে ঘরমুখো যাত্রীদের মাত্রাতিরিক্ত চাপ হবে ধারণা করে চাপ কমাতে রাজধানীর পাঁচ স্টেশনে ট্রেনের ঈদযাত্রার টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে। একেকটি স্টেশন থেকে একেকটি গন্তব্যের টিকিট বিক্রি হচ্ছে। এবার আগাম টিকিট বিক্রিতে কাউন্টারে চাপ কমাতে এ নিয়ম করা হয়েছে।
এদিকে এবার একজন যাত্রী সর্বোচ্চ চারটি টিকিট কিনতে পারবেন। টিকিট কেনার সময় প্রত্যেক যাত্রীর জন্য এনআইডি কার্ড বা জন্মসনদ অবশ্যই কাউন্টারে দেখাতে হবে।