জাতীয়

ঈদ সেলামীতে নতুন টাকা

নতুন টাকার জমজমাট ব্যবসা। ফাইল ছবি।
নতুন টাকার জমজমাট ব্যবসা। ফাইল ছবি।

ঈদ সেলামীতে নতুন টাকার গুরুত্ব অনেক। বিশেষ করে ছোটরা যখন বড়দের কাছে থেকে নতুন টাকার কড়কড়ে নোট সেলামী হিসেবে পায় তখন ঈদ আনন্দে নতুন মাত্রা যুক্ত হয়। তাই তো প্রতি ঈদে নতুন টাকার নোট সংগ্রহে ধুম পড়ে মতিঝিলের ব্যাংক পাড়ায়। তবে বছরজুড়েই নতুন টাকার ব্যবসা জমজমাট গুলিস্তান এলাকায়।

নতুন টাকার ব্যবসায়ীরা বলছেন, সারা বছরই নতুন টাকার কদর থাকে। তবে ঈদ আসলে চাহিদা বাড়ে। ফলে ব্যবসায়ীদের মধ্যেও দেখা গেছে ঈদের খুশি।

আজ শনিবার (৩০ এপ্রিল) রাজধানীর গুলিস্তানের কয়েকটি স্থানে ঘুরে দেখা যায়, নতুন টাকার দোকানগুলোতে মানুষের উপচে পড়া ভিড়। প্রায় প্রত্যেকটি দোকানেই মানুষ পুরোনো টাকা দিয়ে নতুন টাকা নিয়ে যাচ্ছেন। ব্যবসায়ীরা ‘পুরান টাকা দেন, নতুন টাকা নেন’ সুরে সুরে ক্রেতাদের আকর্ষণে ব্যস্ত। নতুন টাকা পেতে পুরাতন টাকা পরিমানে বেশি দিতে হয়। তারও টাকার কড়কড়ে নোট পেয়ে আনন্দে ভাসেন ক্রেতারা। মতিঝিল এলাকেও আছে এমন কয়েকটি টেবিল সর্বস্ব দোকান।

গুলিস্তানের নতুন টাকার ব্যবসায়ী মো. জসীম উদ্দীন জানান, ‘প্রতি হাজার ১০ টাকার নোট নিতে ২০০ টাকা অতিরিক্ত খরচ হবে। প্রতি হাজার ২০ টাকার নোটের ক্ষেত্রে খরচ হবে অতিরিক্ত ১০০ টাকা। ২ টাকার এক বান্ডিলে থাকে ২০০ টাকা। এ জন্য অতিরিক্ত ১১০ টাকা খরচ পড়বে। ৫০ ও ১০০ টাকার ক্ষেত্রে খরচ পড়ছে প্রতি হাজারে ৩০ টাকা। ১০ টাকার নোট সবচেয়ে বেশি বিক্রি হচ্ছে।’

এসব দোকানে একেবারেই ছেঁড়া, পুরোনো টাকা দিয়ে নতুন টাকা নেওয়া যায় বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। এ ছাড়াও বিদেশি টাকা দিয়েও নতুন টাকা নেওয়া যায়। নতুন টাকার দোকানি মো. শহীদ মিয়া জানান, ২০ রোজার পর থেকেই মানুষ নতুন টাকা কিনছেন। তিনি বলেন, ‘করোনায় দুই বছর আমাদের কোন ব্যবসায়ই হয় নাই। এবার সেই ক্ষতি কিছুটা পোষায় নিতে পারবো আশা করি। ঈদের জন্য এখন অনেকেই নতুন টাকা নিতে আসতেছে।’ প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত এসব নতুন টাকার দোকান খোলা থাকে বলে জানান তিনি।

নকল বা জাল টাকা থাকার সম্ভাবনা কথা উড়িয়ে দিয়ে নতুন টাকার ব্যবসায়ী আজমল মিয়া বলেন, ‘এখানে যারা ব্যবসা করে তাঁরা দীর্ঘদিনের ব্যবসায়ী। তাঁরা প্রতিদিনই এখানে ব্যবসা করে। জাল বা নকল টাকার কোন সিস্টেম এখানে নাই। এই ব্যবসা অনেক দিনের পুরোনো ব্যবসা। কেউ কোনো দিন বলতে পারবে না, এখান থেইকা নকল বা জাল টাকা গেছে। ব্যবসার সুনামের ক্ষেত্রে এখানে কোন ছাড় নাই।’

নতুন টাকা নিতে আসা ব্যবসায়ী সাইদুর রহমান বলেন, ‘ঈদে বাড়ি যাবো। বাড়িতে অনেক বাচ্চা আছে। তাঁদের সবাইকে দেওয়ার জন্য ২০ টাকার অনেকগুলো নতুন নোট কিনলাম। নতুন টাকা সালামি পেলে বাচ্চারা খুশি হয়।’

সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার জুবায়ের আহমেদ বলেন, ‘ঈদে সব সময়ই এখান থেকে নতুন টাকা কিনি। ঈদের সময় নতুন টাকা সঙ্গে না থাকলে ঈদ ঈদ লাগে না। আর ঈদের দিন নতুন টাকা দিলেও সবাই খুশি হয়। এখানে খরচ যে খুব বেশি তেমনও না। ব্যাংক থেকে নতুন টাকার বড় নোট পাওয়া যায় কিন্তু ছোট নোটের জন্য এই জায়গাগুলো ভালো।’

দেশটিভি/এমএস
দেশ-বিদেশের সকল তাৎক্ষণিক সংবাদ, দেশ টিভির জনপ্রিয় সব নাটক ও অনুষ্ঠান দেখতে, সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল:

এছাড়াও রয়েছে

সিলেটে ভোক্তা অধিদপ্তর ও সিসিএস-এর সচেতনতামূলক সভা

ট্রাফিক আইন মেনে চলার সংস্কৃতি গড়ে তুলুন: প্রধানমন্ত্রী

চোরাগলি দিয়ে সরকার উৎখাতের সুযোগ নেই: ওবায়দুল কাদের

এক বছরে সড়ক দুর্ঘটনা ৫৩৭১, মৃত্যু ৬২৮৪ জনের

খুলনায় দুই দিনের ‘পরিবহন ধর্মঘট’ চলছে

২৫ অক্টোবর আংশিক সূর্যগ্রহণ

ভোজ্যতেল নিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রীর কড়া হুঁশিয়ারি

সুদানে জাতিগত সংঘর্ষ নিহত অন্তত ১৫০

সর্বশেষ খবর

স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার নারী দিবস উদযাপন

শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ করলেন মোস্তাফিজুর রহমান

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ইউল্যাব’ শিক্ষার্থীদের ফটোওয়াক

ভান্ডারিয়া ও মঠবাড়িয়ায় পৌর প্রশাসক নিয়োগ