দেশে জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে, সামনের দিনেও এক্ষেত্রে সংকটের সম্ভাবনা নেই বলে দাবি করেছে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়। সরকার বলছে, দেশে অকটেন ও পেট্রোলের স্বাভাবিক গড় মাসিক চাহিদা যথাক্রমে প্রায় ৩৬ হাজার টন ও ৩৯ হাজার টন। বর্তমান মজুত, আমদানি পরিকল্পনা এবং দেশীয় উৎপাদনের মাধ্যমে এ চাহিদা পূরণ করা সম্ভব।
সোমবার গনমাধ্যমে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ জানায়, গত ৭ ও ৮ মে বিভিন্ন গণমাধ্যমে দেশের উত্তরাঞ্চলে পেট্রোল ও অকটেনের সংকট সংক্রান্ত সংবাদ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) এর আওতাধীন তেল বিপণন কোম্পানির মাধ্যমে সারাদেশে জ্বালানি তেলের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ অব্যাহত রেখেছে। বর্তমানে চাহিদা অনুযায়ী দেশে অকটেন ও পেট্রোলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। দেশে জ্বালানি তেলের চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে মে ও জুন প্রতিমাসে প্রয়োজন অনুযায়ী অকটেন আমদানির সূচি চূড়ান্ত করা হয়েছে। এই সূচি অনুযায়ী, প্রতি সপ্তাহেই জ্বালানি তেলবাহী জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে ভিড়ছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ইন্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড এবং জ্বালানি তেল উৎপাদনকারী দেশীয় বেসরকারি প্ল্যান্টগুলোতে অকটেন ও পেট্রোল উৎপাদন অব্যাহত রয়েছে, যা জ্বালানি তেলের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ আরও সুসংহত করবে। দেশীয় উৎপাদনের মাধ্যমে পেট্রোলের সম্পূর্ণ চাহিদা পূরণ করা হয়ে থাকে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, খুলনার দৌলতপুর থেকে পার্বতীপুর ও চট্টগ্রাম থেকে রংপুরে রেল যোগাযোগের মাধ্যমে জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হয়। দেশে পর্যাপ্ত মজুত থাকা সত্ত্বেও ঈদুল ফিতর উপলক্ষে যাত্রী পরিবহনে প্রাধান্য দেওয়াসহ ইঞ্জিন স্বল্পতার কারণে এ ডিপোগুলোতে অকটেন ও পেট্রোল সরবরাহে নির্ধারিত সময়ের তুলনায় কিছুটা বিলম্ব হয়েছে। তবে বর্তমানে সারাদেশে অকটেন ও পেট্রোলের সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। তাছাড়া অন্যান্য জ্বালানি তেলের মজুত ও সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে।