গম উৎপাদনকারী পাঁচটি দেশের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে: বাণিজ্যমন্ত্রী
বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, ভারত গম রফতানি বন্ধ করলেও বিশেষ পরিস্থিতিতে ভারত থেকে গম আনা যাবে। গম উৎপাদনকারী আরো ৫টি দেশের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে, ভারত গম দেবেই না- তা নয়। আপতত: তারা গম দেবে না। তবে ভারতের সঙ্গেও দেন-দরবারের সুযোগ আছে। সোমবার (১৬ মে) বেলা ১১টায় সচিবালয়ের গণমাধ্যম কেন্দ্রে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএসআরএফ) আয়োজিত ‘বিএসআরএফ সংলাপ’ অনুষ্ঠানে বাণিজ্যমন্ত্রী এই কথা বলেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, রাশিয়া-ইউক্রনের যুদ্ধ অনেকটা প্রভাব ফেলেছে আমাদের খাদ্যপণ্যের ওপর। সেজন্য সবাইকে সাশ্রয়ী হতে হবে। সামনের দিকে কিছুটা সংকট রয়েছে। ভয় পাওয়ার কিছু নেই। শ্রীলঙ্কার অবস্থা দেখে অনেকে প্রচার করছে- সে অবস্থা হতে পারে। সে রকম কোনো আশঙ্কা নেই। আমরা নিজেরাই শ্রীলঙ্কাকে ঋণ দিয়েছি। বাংলাদেশের অবস্থা শ্রীলঙ্কার মতো হবে না। অনেকেই শ্রীলঙ্কার সঙ্গে তুলনা করে এটা নিয়ে রাজনীতি করছেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ভোজ্যতেল ৯০ শতাংশ আমদানি করতে হয়। সেইজন্য আন্তর্জাতিক বাজারের ওপর দাম নির্ভর করে। বিশ্ববাজারে প্রতিনিয়ত তেলের দাম বেড়ে চলেছে। আশেপাশের দেশে আমাদের চেয়ে তেলের দাম বেশি।
মন্ত্রী বলেন, পেঁয়াজের দাম চড়া হলেও মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রয়েছে। পেঁয়াজের দাম যদি কৃষক ২৫ টাকা পান তাহলেও মোটামুটি পুষিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়। পরে সেটির সঙ্গে ট্রান্সপোর্টসহ কিছু কস্টিং যুক্ত হয়।
মন্ত্রী জানান, জুন থেকে আরো ১ কোটি দরিদ্র মানুষকে স্বল্পমূল্যে নিত্যপণ্য দেওয়া হবে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এই কার্যক্রম চলবে।
চলতি বছর রফতানি ৬০ বিলিয়ন ডলার হবে বলে আশা করে তিনি বলেন, ২০২৪ সালে রফতানি ৮০ বিলিয়ন ডলার অবধি পৌঁছাবে বলে মনে করি।
বিএসআরএফ সভাপতি তপন বিশ্বাসের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মাসউদুল হকের সঞ্চালনায় সংলাপে অন্যদের মধ্যে সংগঠনের যুগ্ম সম্পাদক মেহ্দী আজাদ মাসুদ, সাংগঠনিক সম্পাদক আকতার হোসেন, অর্থ সম্পাদক মো. শফিউল্লাহ সুমন, সদস্য ইসমাইল হোসাইন রাসেল, হাসিফ মাহমুদ শাহ উপস্থিত ছিলেন।