‘রিক্রুটিং এজেন্সি সিন্ডিকেট’ বিষয়ক জটিলতা নিরসনের চেষ্টায় মালয়েশিয়ান প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৃহস্পতিবার (২ জুন) ঢাকায় বৈঠকে বসছেন বাংলাদেশি কর্মকর্তারা।
প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দুদেশের মন্ত্রী পর্যায়ে বৈঠক হবে, যেখানে ঢাকার নেতৃত্ব দেবেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ইমরান আহমদ এবং কুয়ালালামপুরের পক্ষে দেশটির মানবসম্পদমন্ত্রী দাতুক সেরি এম সারাভানন।
প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী ইমরান আহমদের আমন্ত্রণে জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠকে অংশ নিতে একটি প্রতিনিধি দল নিয়ে বুধবার রাতে ঢাকায় পৌঁছেছেন মালয়েশিয়ার মানবসম্পদ মন্ত্রী সারাভানন।
এবারের বৈঠকে কর্মী পাঠানো নিয়ে সিন্ডিকেট বিতর্কের অবসান চায় ঢাকা। কর্মকর্তারা বলছেন, তারা দ্রুত কর্মী পাঠাতে চান। তবে প্রক্রিয়া যেন কর্মীবান্ধব হয় সেটাই চাওয়া তাদের।
এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘আমরা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে কর্মী পাঠাতে চাই না। যেসব রিক্রুটিং এজেন্সির বৈধতা আছে, সবাই যেন কর্মী পাঠাতে পারে।’
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, দীর্ঘ ৪০ মাস বন্ধ থাকার পর অন্যতম বড় শ্রমবাজারটি খুলে দেওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। কিন্তু এটি বাস্তবায়নে দেরি হওয়ায় বাজারটি নেপালের দিকে ঝুঁকে পড়েছে। এর মাসুল গুনতে হতে পারে কয়েক লাখ বেকার কর্মীকে। এমনিতেই দীর্ঘদিন ধরে করোনাভাইরাসের কবলে পড়ে অনেক বেকার কর্মী হতাশায় ভুগছেন।
মালয়েশিয়ায় বর্তমানে ১০ লাখের বেশি বাংলাদেশি কর্মী আছেন। ২০১৮ সালে প্রায় পৌনে দুই লাখ কর্মী মালয়েশিয়ায় পাঠানো হয়েছিল। ১০টি রিক্রুটিং এজেন্সি বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠাতে দুই দেশের সরকারের কাছ থেকে অনুমতি নিয়েছিল। সে সময় অন্য রিক্রুটিং এজেন্সিগুলো এর প্রতিবাদ জানায়। ওই বছরই সেপ্টেম্বর মাসে মালয়েশিয়া সরকার বাংলাদেশ থেকে কর্মী নেওয়া বন্ধ করে দেয়। এর পর থেকে শ্রমবাজারটি বন্ধ আছে।