প্রথম ধাপ এবং দ্বিতীয় ধাপের ‘সফলতার’ পর সরকার বুস্টার ডোজ নিয়ে মহাপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। সেই কার্যক্রম শুরু হচ্ছে শনিবার (৪ জুন)। সাতদিনে এক কোটি ৪১ লাখ ৭৭ হাজার মানুষকে করোনাভাইরাস ভ্যাকসিনের তৃতীয় ডোজ দেয়া হবে।
টিকা দেওয়ার ক্ষেত্রে পৃথিবীর অনেক দেশের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সর্বশেষ পরিসংখ্যান বলছে, বাংলাদেশ প্রথম, দ্বিতীয় ও বুস্টার ডোজ দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রতিবেশী দেশ ভারতকে পেছনে ফেলেছে।
স্বাস্থ্য বিভাগ বিবৃতিতে জানিয়েছে, সারাদেশে মোট ১৬ হাজার ১৮১ টিকা কেন্দ্রে বুস্টার ডোজ টিকা দেওয়া হবে। এর মধ্যে ৬২৩টি স্থায়ী কেন্দ্র ও ১৫ হাজার ৫৫৮টি অস্থায়ী কেন্দ্র।
স্থায়ী কেন্দ্রগুলোতে সাতদিন ও অস্থায়ী কেন্দ্রগুলোতে ২ দিন টিকাদান কার্যক্রম চলবে। অস্থায়ী কেন্দ্রে টিকা দেওয়ার তারিখ স্থানীয় পর্যায়ে প্রচার-প্রচারণা ও মাইকিং করে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।
বুস্টার ডোজ সপ্তাহ চলাকালে একযোগে ৪৫ হাজার ৫৩৫ জন টিকাদান কর্মী ও স্বেচ্ছাসেবী টিকাদান কাজে নিয়োজিত থাকবেন।