আসন্ন কোরবানির ঈদকে ঘিরে মহাসড়কে চুরি-ছিনতাই-চাঁদাবাজি রোধে বাড়তি নজরদারি থাকবে বলে জানিয়েছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)।
শনিবার ( ৪ জুন) দুপুরে রাজধানীর কারওয়ানবাজার র্যাবের মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান র্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।
সাভারের বালিয়ারপুর মহাসড়কে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে আন্তঃজেলা ডাকাতচক্র ঠাণ্ডা-শামীম বাহিনীর ১১ জনকে আটকের বিষয়ে জানাতে এ সংবাদ সম্মেলের আয়োজন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে খন্দকার আল মঈন বলেন, রোজার ঈদের আগে আমরা ৫ শতাধিক চাঁদাবাজ-ছিনতাইকারী গ্রেফতার করেছি। কোরবানি ঈদকে কেন্দ্র করে মহাসড়কে ডাকাত-ছিনতাইকারী ও চাঁদাবাজরা সক্রিয় হয়ে ওঠেন। তারা ট্রাক থেকে গরু নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এ বিষয়টি আমাদের মাথায় রয়েছে। যেহেতু মহাহাসড়কে ডাকাতির বিষয়টি বর্তমানে একটি আলোচিত বিষয়, তাই এসব ঘটনায় যারা জড়িত, যারা মূল হোতা তাদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আশা করছি ভবিষ্যতেও বেশ কয়েকটি চক্রকে আমরা ধরতে পারবো।
তিনি বলেন, মহাসড়কে ডাকাত চক্রদের গ্রেফতারে বিশেষ গোয়েন্দা কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় র্যাব সদর দপ্তর গোয়েন্দা শাখা ও র্যাব-৩ এর আভিযানে শুক্রবার (৩ জুন) দিনগত রাতে সাভার থেকে ঠাণ্ডা-শামীম বাহিনীর ১১ সদস্যকে আটক করা হয়েছে।
এ সময় তাদের কাছ থেকে ১টি বিদেশি পিস্তল, ১টি পাইপগান, ২টি ওয়ান শুটারগান, ৬রাউন্ড গুলি, ১টি ম্যাগাজিন, ১টি শাবল, ৩টি রশি, ১টি লোহার রড, ১টি চাপাতি, ২টি রামদা, ১টি চাইনিজ কুড়াল, ১টি করাত, ১টি হাউস কাটার, ২টি ছুরি, ২টি টর্চ লাইট, ১১টি ব্যাগ, ২টি হ্যাক্সো ব্লেড , ১টি দা, ২টি লেজার লাইট, ২টি প্লাস, ১টি দেশি কুড়াল এবং ১টি হাতুড়ি উদ্ধার করা হয়।
আটকরা হলেন- শামিম ওরফে সব্দুল (৩০), আনিসুর রহমান ওরফে ঠাণ্ডা (৪৫), সালাউদ্দিন (২৩), ইখতিয়ার উদ্দিন (৩১), সাইফুল ইসলাম (৩৫), জাহাঙ্গীর সরকার (৪০), সজিব ইসলাম (২৫), জীবন সরকার (৩৪), স্বপন চন্দ্র রায় (২১), মিনহাজুর ইসলাম (২০) ও মাধব চন্দ্র সরকার (২৬)।