বাজেটের আগেই বেকারি পণ্যের দাম বেড়ে দ্বিগুণ হয়েছে। করোনা ধাক্কায় থমকে পড়া অর্থনীতির কারনে খাদ্যপণ্যের দাম বেড়েছিল।ইউক্রেন যুদ্ধের পর বাড়ে কিছুটা। এই দফায় কেক-বিস্কুটের দাম বেড়ে যাওয়ায় নিম্নবিত্তদের উপর বেশি প্রভাব পড়বে।
অলটাইম কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধি রশিদ বলেন, গেল মে মাস থেকেই দাম বেড়েছে কেক-বিস্কুটের। এপ্রিল মাসে ৪ পিসের কেকের প্যাকেট পাইকারি ২৫ টাকা দরে বিক্রি করেছেন। মে মাসে এটি ৩০ টাকা ও জুনের ২ তারিখ থেকে ৩৫ করে বিক্রি করতে বলেছে কোম্পানি।
এক দিনমজুর জানান, আগে চায়ের দোকানে বসে এক কাপ দুধ চায়ের সঙ্গে বনরুটি ভিজিয়ে খেতাম। সঙ্গে নিতাম একটা কেক। বনরুটির দাম ছিল ৫ টাকা আর কেক ৭ টাকা। এখন বনরুটি দ্বিগুণ বেড়ে ১০ টাকা, কেকের দাম ৮ টাকা বেড়ে হয়েছে ১৫ টাকা।
দোকানি শাকিল ইসলাম জানান, তাঁর দোকানের খাবারের দাম দ্বিগুণ হয়েছে। আগে যে কেক ৭ টাকায় বিক্রি হচ্ছিল এখন সেটা ১৫ টাকা। আগে যে বিস্কুট তিন টাকা ছিল এখন সেটা পাঁচ টাকা।
পুরান ঢাকার লালবাগ এলাকার রমনা বেকারির মালিক দেলোয়ার হোসেন বলেন, সব পণ্যের দাম বাড়ায় বেকারি মালিকেরা বাধ্য হয়েই দাম বাড়িয়েছে। অনেক বেকারি বন্ধ হয়ে গেছে ভর্তুকি দিয়ে টিকতে না পেরে।
বেকারি মালিক সমিতির সভাপতি জালাল হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, মে মাস থেকেই আটা, চিনি, গুঁড়া দুধসহ বেকারির সব কাঁচামালের দাম দ্বিগুণ বেড়েছে। সেজন্য আমাদের সব ধরণের পণ্যের মূল্য বাড়াতে বাধ্য হতে হয়েছে।