সীতাকুণ্ডে বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক পদার্থ থেকে ছড়ানো আগুনে পানি দিয়ে ব্যর্থ হওয়ার পর রবিবার সকালে ফগ সিস্টেমে নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। এই ধরনের অগ্নিকাণ্ডে মূলত এই পদ্ধতিতেই আগুন নেভাতে হয়।
চট্টগ্রাম ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক আনিসুর রহমান রবিবার (৫ জুন) বলেন, ‘ডিপোর কর্মকর্তাদের বরাতে আমরা জানতে পেরেছি, কনটেইনারগুলোতে হাইড্রোজেন পার অক্সাইড ছিল। তবে প্রথমে আগুন নেভাতে আসা ফায়ার সার্ভিসকর্মীদের এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানের কেউ অবহিত করেননি। তাই পানি দেয়া হয়েছে। এমন রাসায়নিকের আগুন নেভাতে হয় ফগ সিস্টেমে। আমরা এই পদ্ধতিতে এবং ফোমের মাধ্যমে এখন আগুন নেভানোর চেষ্টা করছি।’
ডিপোর কয়েকটি ড্রামে হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড লেখা দেখা গেছে। এটি চোখে পড়ার আগেই মূলত পানি দেয়া শুরু হয়। তাতে সমস্যা আরও বেড়েছে।
রাসায়নিক নিয়ন্ত্রণের জন্য এক পর্যায়ে সেনাবাহিনীর বিশেষজ্ঞ দলকে ডাকা হয়।
চট্টগ্রাম ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক এদিন সকালে সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি মালিকপক্ষকে এখনো পাইনি। তাই আগুন পুরোপুরি নেভানোর প্রক্রিয়া ব্যাহত হচ্ছে। কোন কনটেইনারে কী আছে সেটি আমরা বুঝতে পারছি না।’