নির্বাচনে কারও ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ দৃষ্টিগোচর হলে কমিশন ব্যবস্থা নিবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার বিগ্রেডিয়ার জেনারেল মো. আহসান হাবিব।
মঙ্গলবার (৭ জুন) বিকেলে সার্কিট হাউজে চট্টগ্রামের বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন নিয়ে জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে এক সভায় তিনি এ কথা বলেন।
আহসান হাবিব বলেন, বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে এবং বিভিন্ন নির্বাচনে আমরা দেখেছি পুলিশসহ বিভিন্ন আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর চমৎকার দায়িত্ব পালন করেছে। অনেক জায়গায় নির্বাচন সুন্দর এবং সুষ্ঠু হয়েছে। বর্তমান নির্বাচন কমিশন এ কার্যক্রমকে আরো উচ্চতর মাত্রায় নিয়ে যেতে চায়। সম্প্রতি যেসকল স্থানে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে সেসকল নির্বাচনকে নির্বাচন কমিশন অত্যন্ত সূক্ষ্মভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।
নির্বাচন কমিশন চায় প্রত্যেকে যার যার দায়িত্ব আইন সঙ্গতভাবে এবং নিরপেক্ষতার সাথে পালন করবে। অন্যথায় নির্বাচন কমিশন তার আইনসঙ্গত ক্ষমতা প্রয়োগ করে নির্বাচনে ব্যর্থ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
তিনি বলেন, নির্বাচনকে আরো স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্যতা আনয়নের লক্ষ্যে নির্বাচনে ইতোপূর্বে ব্যবহৃত ম্যানুয়াল ব্যালট পেপারের পরিবর্তে ইভিএম ব্যবহার করা হচ্ছে। যা স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনে মাইলফলক হিসেবে কাজ করছে। ভোটারদেরকে নিরবিঘ্নে, নিরাপদে ও নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত ও ভোট প্রদানের সুষ্ঠু ও সুন্দর পরিবেশ তৈরি করতে হবে। সেই সঙ্গে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটসহ আইন-শৃংখলা বাহিনীর স্ট্রাইকিং ফোর্স ও মোবাইল টিমের তৎপরতা বাড়াতে হবে। সুষ্ঠু, সুন্দর, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের ক্ষেত্রে প্রত্যেক প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে আচরণবিধি মেনে চলতে হবে। যে সকল প্রার্থী নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গ করবেন রিটানিং অফিসার ও সহকারি রিটার্নিং অফিসার, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তাৎক্ষনিক ব্যবস্থা গহণ করবেন। বারবার সতর্ক করার পরও যদি প্রার্থীগণ আচরণবিধি বঙ্গ করে তাহলে নির্বাচন কমিশন বিধি মোতাবেক প্রয়োজনে প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল করবে।
জেলা প্রশাসক মো. মমিনুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় চট্টগ্রাম আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ হাসানুজ্জামান, সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মাদ জাহাঙ্গীর হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।