প্রস্তাবিত ২০২২-২৩ অর্থবছরের জন্য ৬ লাখ ৭৮ হাজার ৬৪ কোটি টাকার বাজেট জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।
বৃহস্পতিবার (৯ জুন) বিকেল ৩টায় সংসদে তিনি বাজেট উত্থাপন শুরু করেন। বাজেটে ভর্তুকির পরিমাণ বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রস্তাবিত বাজেটে এই খাতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৮২ হাজার ৭৪৫ কোটি টাকা।
সেই হিসাবে গত ২০২১–২২ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের চেয়ে এবারের প্রাথমিক প্রাক্কলনে ভর্তুকি ব্যয় বাড়ছে ১৫ হাজার ৯২০ কোটি টাকা।
২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেট স্বাধীন বাংলাদেশের ৫১তম বাজেট। বর্তমান সরকারের টানা তৃতীয় মেয়াদের চতুর্থ বাজেট, টানা ১৪তম এবং অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের চতুর্থ বাজেট।
অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘সামগ্রিক পরিস্থিতিতে সরকারের ভর্তুকি ব্যবস্থাপনার ওপরও চাপ সৃষ্টি হয়েছে। ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেটের প্রাথমিক প্রাক্কলনে ব্যয় এবার আরও বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮২ হাজার ৭৪৫ কোটি টাকা, যা জিডিপির ১ দশমিক ৯০ শতাংশ। ’
এই ব্যয় আরও বাড়তে পারে উল্লেখ করে আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে তেল, গ্যাস ও সারের মূল্যের সাম্প্রতিক যে গতিপ্রকৃতি তাতে ভর্তুকি ব্যয় আরও ১৫-২০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে, যা আগামী অর্থবছরের বাজেট ব্যবস্থাপনায় একটি চ্যালেঞ্জ।
প্রসঙ্গত, এক বছরের ব্যবধানে এত বেশি ভর্তুকি আগে কখনোই হয়নি। ভর্তুকি বাড়ার পরিমাণ কখনো দুই হাজার, কখনো বা তিন হাজার কোটি টাকা হয়। গত পাঁচ বছরের বাজেট পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে একবার পৌনে ১০ হাজার কোটি টাকাও বেড়েছিল। কিন্তু ভর্তুকি ও প্রণোদনা বাড়াতে এবার ছাড়িয়ে যাচ্ছে অতীতের সব রেকর্ড।