তিন মাস পর গত কয়েকদিন ধরে করোনা শনাক্তের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় সবার মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করার পরামর্শ দিয়েছে সরকারের করোনাসংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শ কমিটি।
পাশাপাশি জনসমাগম বর্জন, ‘নো মাস্ক, নো সার্ভিস’ নীতি আবার চালুর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে বলে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন কমিটির প্রধান অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ সহিদুল্লা।
সরকারের করোনাসংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শ কমিটি মনে করছে, যেসব দেশে করোনাভাইরাসের নতুন ধরন এবং উপধরনে সংক্রমণের হার বেশি, সেসব দেশ থেকে আসা ব্যক্তিদের মাধ্যমে বাংলাদেশে ভাইরাস ছড়াচ্ছে।
এজন্য বিমান, স্থল ও নৌ বন্দরে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। বিশেষ করে অধিক আক্রান্ত দেশগুলো থেকে আসা যাত্রীদের জন্য প্রয়োজনে কোভিড-১৯ নেগেটিভ সনদ, টিকা সনদ আবশ্যক করতে বলা হয়।
স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য বলছে, গত জানুয়ারিতে করোনা আক্রান্তের হার ছিল একদিনে সর্বোচ্চ ৩৩ শতাংশ। সেদিন শনাক্ত হয়েছিল ১৫ হাজার ৪৪০ জন। এরপর ফেব্রুয়ারিতে শনাক্তের হার ধীরে ধীরে কমতে শুরু করে। তারই ধারাবাহিকতা ছিল জুন মাসের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত। এরপর আবারও ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে শনাক্তের হার। ৬ জুন পর্যন্ত শনাক্তের হার ১ শতাংশের নিচে থাকলেও ৭ জুন থেকে ১ শতাংশ ছাড়িয়ে যায়। আড়াই মাস পর ১২ জুন একদিনে শতাধিক শনাক্ত হয়। ৭ জুন থেকে এ পর্যন্ত ৯ দিনে শনাক্ত হয় ৮৮৩ জন। এরমধ্যে ১৫ জুন একদিনে দুই শতাধিক শনাক্ত হয়।
স্বাস্থ্য অধিদফতরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আক্রান্তদের বেশিরভাগই ঢাকা শহরে অবস্থান করছেন। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, আরেকটি নতুন ঢেউ চলে এসেছে।