স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিএনপি নেতাকর্মীদের দাওয়াত দেওয়া হবে। আমি তাদের (বিএনপি) উদ্দেশে বলবো আপনারা আসুন, উন্নয়নের কথা বলুন, দেশের কথা বলুন।
তিনি বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় যাওয়ার দিবাস্বপ্ন দেখছে। দিবাস্বপ্ন বাদ দিন। আবারও আপনারা পেশি শক্তি দিয়ে ক্ষমতায় আসবেন, সেদিন আর এ দেশে কখনও আসবে না। আমাদের নেত্রী জনগণের শক্তিতে বিশ্বাসী। আপনারাও জনগণের শক্তিতে বিশ্বাস করতে শিখুন।
শুক্রবার (১৭ জুন) রাজধানীর মগবাজার টিএনটি মাঠে হাতিরঝিল থানা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অনেক নেতা আমাদের বিরুদ্ধে অনেক কথা বলেন। আন্দোলন করবেন, এই করবেন, সেই করবেন, দেখে নেবেন। আপনারা তো জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছেন আগেই। আন্দোলন করে লাভ হবে না। আপনারা জনগণের পাশে এসে দাঁড়ান। আমাদের সহায়তা করুন। আমরা সবাইকে নিয়ে একসঙ্গে চলতে চাই। আপনারাও আসেন।
তিনি বলেন, আমরা কোনও সমস্যা নিয়ে যখন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শরণাপন্ন হই, তখন তিনি এমনভাবে তার সমাধান করে দেন, যা তার দূরদর্শী নেতৃত্বের অন্যতম উদাহরণ।
এই সরকারের আমলে নারীর ক্ষতমতায়নের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ক্ষমতায়ন হয়েছে বলেই নারীরা আজ সমানতালে চলতে পারছে। এ জন্যই আমরা এগিয়ে যেতে পারছি। তারা এগিয়ে যাচ্ছে; যা প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী নেতৃত্বের আরও একটি উদাহরণ। আমরা যেখানেই যাই, সেখানেই নারীর ক্ষমতায়নের কথা জিজ্ঞেস করা হয়। মানুষের ইচ্ছা শক্তি এবং ভিশন থাকলে সবই সম্ভব।
আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, শেখ হাসিনা যতদিন জীবিত আছেন, ততদিন দেশ এগিয়ে যাবে। ২০০৮ সালে শেখ হাসিনা বলেছিলেন, দেশকে বদলে দেবেন, এখন উন্নয়নের মহাসড়কে বাংলাদেশ। তার দৃঢ় নেতৃত্বের কারণে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে।
‘আমার টাকায় আমার সেতু বাংলাদেশের পদ্মা সেতু’ নেতাকর্মীদের নিয়ে এই স্লোগান দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আগামী ২৫ জুন পদ্মা সেতু উদ্বোধন হতে যাচ্ছে। পদ্মা সেতু নিয়ে অনেক কথাবার্তা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী দেখিয়ে দিয়েছেন দূরদর্শিতা থাকলে সবকিছুই করা সম্ভব।
বৃষ্টি উপেক্ষা করেও নেতাকর্মীরা সম্মেলনস্থলে এসে উপস্থিত হওয়ায় সবাইকে ধন্যবাদ জানান মন্ত্রী।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কোনও মাদক ব্যবসায়ী, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ নতুন কমিটিতে স্থান পাবে না। ভালো একটি কমিটি উপহার দেবে ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক, সেই প্রত্যাশা করি। প্রার্থীদের কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে প্রধানমন্ত্রী সিদ্ধান্ত নেবেন।