যুক্তরাষ্ট্রের ক্লিনটন ফাউন্ডেশনে পাঠানো ডক্টর ইউনূসের ৬ মিলিয়ন ডলার অর্থের তদন্ত দাবি করেছেন আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য শেখ সেলিম।
রোববার (১৯ জুন) জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন তিনি।
এসময় শেখ সেলিম বলেন, ২০০৯ সালে ক্ষমতায় এসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদ্মা সেতু নির্মাণে বিভিন্ন দাতা দেশের সঙ্গে যোগাযোগ করলেন। কিন্তু মাঝখানে একজন ডক্টর এসে ঢুকলেন। তারপর ওয়ার্ল্ড ব্যাংক এসে বললো, দুর্নীতি হয়েছে। কী দুর্নীতি হয়েছে? একটি টাকা দেয়নি কিন্তু দাবি করে দুর্নীতি হয়েছে। কী বিচিত্র'।
সরকার দলীয় এই সাংসদ বলেন, ড. ইউনূস সাহেব আর বাংলাদেশে কিছু বুদ্ধিজীবী আছেন। তারা সবসময় নেগেটিভ দৃষ্টিভঙ্গির। বাংলাদেশ সামনের দিকে এগিয়ে যাক, এরা কোনোদিন চিন্তা করে না।
এসময় অর্থমন্ত্রীকে উদ্দেশে করে শেখ সেলিম বলেন, উনি (ড. ইউনূস) যে ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ক্লিনটন ফাউন্ডেশনে দিয়েছেন, এই টাকা কোত্থেকে দিয়েছেন তা তদন্ত করুন। এটা মানি লন্ডারিংয়ের টাকা। বিশ্বব্যাংকের কাছে তিনি (ড. ইউনূস) বিক্রি। আমাদের কিছু বিএনপি ও বিদেশিকে নিয়ে ষড়যন্ত্র করে পদ্মা সেতু বন্ধের চেষ্টা করেছেন।
এর আগে ড. ইউনূসের কড়া সমালোচনা করে শেখ সেলিম বলেন, আমাদের দেশে একজন ডক্টর আছেন। ড. ইউনূস। উনি পশুর ডাক্তার? না মাছের ডাক্তার,না গরুর ডাক্তার? বাংলাদেশের মানুষের সর্বনাশার ডাক্তার। উনি নাকি শান্তির জন্য নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন। উনি বাংলাদেশের জন্য এ পর্যন্ত যা করেছেন, বাংলাদেশের পাই পয়সারও ভালো করেন নাই, ক্ষতি করে গেছেন। সুদ খাইয়েছেন। একজন সুদখোর।