রাত পেরোলেই উদ্বোধন হতে যাচ্ছে স্বপ্নের পদ্মা সেতু। তবে সড়কপথ খুলে দিলেও, এখনই চালু হচ্ছে না রেলপথ। এজন্য অপেক্ষা করতে হবে আরও এক বছর।
সেতুর রেল সংযোগ প্রকল্পের পরিচালক মো. আফজাল হোসেন দেশ টিভিকে জানিয়েছেন, কাজের সার্বিক অগ্রগতি প্রায় ৫৮.৫ শতাংশ।
দেশের প্রথম ক্রসিংবিহীন এই পথে, মূল সেতু অংশে বসানো হচ্ছে ব্যালাস্টলেস রেল ট্র্যাক। ঢাকা থেকে মাওয়া, মাওয়া থেকে ভাঙ্গা আর ভাঙ্গা থেকে যশোর, তিন অংশ মিলিয়ে ১৭২ কিলোমিটার রেলপথের কাজ চলছে দ্রুতগতিতে। এর মধ্যে মাওয়া-ভাঙ্গা অংশের কাজ ৮০ ভাগই শেষ।
দেশের সবচেয়ে দ্রুতগতির এই রেলপথে, ঢাকা থেকে যশোর পর্যন্ত থাকছে ২৯টি স্টেশন ও একটি জংশন। এরই মধ্যে সব জায়গায় স্লিপার তৈরিও শেষ হয়েছে। প্রকল্প কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সড়ক পথ খুলে দেয়ার পরই সেতুতে শুরু হবে স্লিপার বসানোর কাজ।
৩৯ হাজার ২৪৬ কোটি টাকায় নির্মানাধীন এই রেল সংযোগে মাওয়া থেকে ভাঙ্গা-ফরিদপুর-রাজবাড়ী-কুষ্টিয়া ও পোড়াদহ হয়ে ট্রেন চলবে দক্ষিণে খুলনা ও উত্তরে রাজশাহী অঞ্চলজুড়ে। পুরো প্রকল্প চালু হলে মোংলা বন্দর, বরিশাল, পায়রা সমুদ্র বন্দর দিয়ে ভবিষ্যতেও পণ্যবাহী রেল চলাচলের সুযোগ তৈরি হবে।