আর মাত্র একদিন পরই আসবে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। যে দিনের অপেক্ষায় ছিলেন দেশের সর্বস্তরের মানুষ। স্বপ্নের পদ্মা সেতুর দ্বার শনিবার (২৫ জুন) আনুষ্ঠানিকভাবে খুলে দেওয়াকে কেন্দ্র করে প্রমত্তা পদ্মার দুইপাড়ে চলছে মহা কর্মযজ্ঞ। এই সেতু নির্মাণে কোনো খামতি রাখেনি সরকার। বিশ্বের দ্বিতীয় খরস্রোতা নদীতে সেতুটিকে টিকিয়ে রাখতে প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার করেছেন প্রকৌশলীরা।
পদ্মা সেতুর পিলারের নকশা এমনভাবে করা হয়েছে যে, খরস্রোতা পদ্মা ৬২ মিটার পর্যন্ত মাটি সরিয়ে নিয়ে গেলেও সমস্যা হবে না। এটি রিখটার স্কেলে প্রায় নয় মাত্রার ভূমিকম্প সহনশীল।
পদ্মা সেতু দিয়ে প্রতিদিন ৭৫ হাজার যানবাহন পার হতে পারবে। এতে উপকারভোগী হবেন দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১টি জেলার তিন কোটি মানুষ।
পদ্মা বহুমুখী সেতু নির্মাণ প্রকল্পের পরিচালক শফিকুল ইসলাম বলেন, পদ্মা সেতু দিয়ে দৈনিক ৭৫ হাজার যানবাহন চলতে পারবে। সেই লক্ষ্যমাত্রা নিয়েই নির্মাণ করা হয়েছে সেতু।
নিজস্ব অর্থায়নে ৩০ হাজার ১৯৩ কোটি ৩৮ লাখ টাকার প্রকল্পের আওতায় নির্মিত সেতু দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার সঙ্গে ঢাকাসহ সারা দেশের সরাসরি সড়ক যোগাযোগব্যবস্থা স্থাপন করছে।
এতে বছরে দশমিক ৮৪ শতাংশ দারিদ্র্যতা হ্রাস পাবে, এক দশমিক ২৩ শতাংশ অবদান রাখবে জিডিপিতে।