কারো চোখে জল। কারো মুখে হাসি। স্লোগানে কাঁপছে পদ্মার আকাশ-বাতাস। চারদিকে মানুষ আর মানুষ। এমনই আবেগের জোয়ারে শনিবার (২৫ জুন) বেলা ১১টা ৫৮ মিনিটে পদ্মা সেতুর নামফলক উন্মোচনের মাধ্যমে উদ্বোধন কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
পদ্মা সেতুকে শুধু একটা সেতুর সঙ্গে তুলনা না করে নিজের ভাষণে প্রধানমন্ত্রী এদিন বলেন, ‘এটি শুধু ইট-কংক্রিটের সেতু নয়; এই সেতু বাংলাদেশের গর্ব, এই সেতু বাংলাদেশের অহংকার। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে বাঙালির আবেগ।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজকে বাংলাদেশের মানুষ গর্বিত। আমিও গর্বিত।’

সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
সেতুটি উদ্বোধনের মাধ্যমে দেশের সড়ক যোগাযোগের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হল আজ, যা দেশীয় অর্থায়নে বড় অবকাঠামো নির্মাণে বাংলাদেশের সক্ষমতাও প্রকাশ করছে।
পদ্মা সেতু চালু হওয়ায় ফেরি পারাপারের ভোগান্তি থাকবে না দেশের উত্তর-পূর্ব প্রান্তের জেলা সিলেটের জাফলং থেকে খুলনায় যাতায়াতের ক্ষেত্রেও। এই পথের দূরত্ব প্রায় ৫৬৫ কিলোমিটার। ২০০৩ সালে ভৈরব ও আশুগঞ্জের মধ্যে সৈয়দ নজরুল ইসলাম সেতু চালুর পর সিলেট থেকে ঢাকায় সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্থাপিত হয়।

মিছিল নিয়ে সমাবেশে যাচ্ছেন নেতাকর্মীরা
সেতুটি উদ্বোধন করতে শনিবার সকাল ১০টায় মুন্সীগঞ্জের মাওয়া পয়েন্টে অনুষ্ঠানে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী। হেলিকপ্টারযোগে সকাল ৯ টা ৩০ মিনিটে ঢাকার তেজগাঁও বিমানবন্দর থেকে মাওয়া পয়েন্টের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন।