আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, দেশের সর্বোচ্চ আদালত তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে অবৈধ বলে রায় দিয়েছেন। আর সরকার সর্বোচ্চ আদালতের রায়ের এক সুতাও এদিক-ওদিক করবে না।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) জাতীয় সংসদে আগামী ২০২২-২৩ অর্থ বছরের প্রস্তাবিত বাজেটে নির্বাচন কমিশন পরিচালনা খাতে বরাদ্দের ছাঁটাই প্রস্তাবের আলোচনার পর সংসদ সদস্যদের বক্তব্য প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী এ কথা জানান। এ সময় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী সভাপতিত্ব করেন।
আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, বিএনপি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কথা বলছে। আমি বলবো সর্বোচ্চ আদালত তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে অবৈধ বলেছেন। সর্বোচ্চ আদালত যে রায় দিয়েছেন তার এক সুতা এদিক-ওদিক এ সরকার যাবে না। কারণ এ সরকার আইনের শাসনে বিশ্বাস করে।
তিনি বলেন, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশে (আরপিও) বলা আছে নির্বাচনের সময় সব প্রশাসনের সব কর্মকর্তা ও কর্মচারী নির্বাচন কমিশনের অধীনে থাকবে, আইনে যা আছে তাই হবে।
নির্বাচন কমিশন নিয়ে বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের বক্তব্যের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, সংসদ সদস্য যে কথা বলেছেন তার মধ্যে যদি গ্রহণযোগ্যতা থাকে তাহলে অবশ্যই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তা গ্রহণ করবেন। বিএনপির একজন সংসদ সদস্য বলেছেন নির্বাচন হয় না। তিনি নির্বাচিত হয়ে সংসদে এসেছেন আবার বলছেন নির্বাচন হয় না। জনগণের মধ্যে এতে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন তৈরি হয় তাহলে তিনি নির্বাচিত হলেন কীভাবে।
তিনি বলেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান হ্যাঁ, না ভোট দিলেন, ভোটকেন্দ্রে কেউ যায়নি। কিন্তু উনাদের নেতা ৯৯ শতাংশ ভোটে জিতে গেলেন। উনাদের সময় মাগুরার উপ নির্বাচন, ১৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন, আজিজ মার্কা নির্বাচন কমিশন, সবই মানুষ জানেন। বিএনপিকে আগামী নির্বাচনে আনতে হবে তারা বলছেন। তারা কি পাকিস্তানে থাকেন যে তাদের আনতে হবে। তারা তো বাংলাদেশেই থাকেন। নির্বাচন হবে এবং তারা নির্বাচনে অংশ নেবে।