সকালের গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি মাথায় নিয়ে বুধবার (৬ জুলাই) বাড়ি ফেরার জন্য কমলাপুর স্টেশনে যেতে হয়েছে ঢাকাবাসীর। এই বৃষ্টিতে কারো কোনো আক্ষেপ নেই; বরং বড় ধরনের সময়সূচি বিপর্যয় না হওয়ায় স্বস্তির কথা জানিয়েছেন তারা।
সকালের ট্রেনে এমনিতে ভিড় কম থাকে। ভিড় বাড়ে দুপুরে। ঈদযাত্রার প্রথমদিন মঙ্গলবার এমন চিত্র চোখে পড়েছে। বুধবারও একই দৃশ্য দেখা গেছে।
এদিন সকাল থেকে ধূমকেতু এক্সপ্রেস, সোনার বাংলা এক্সপ্রেস, নীলসাগর এক্সপ্রেস, মহানগর প্রভাতী, তিস্তা এক্সপ্রেস, সুন্দরবন এক্সপ্রেস, মহুয়া কমিউটার, কর্ণফুলী কমিউটার কমলাপুর স্টেশন ছেড়ে গেছে। তবে সব ট্রেনেই বেশিরভাগ আসন ফাঁকা দেখা গেছে। আসন ফাঁকা নিয়েই ট্রেনগুলো কমলাপুর থেকে ছেড়ে যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে।
কমলাপুর রেলওয়ে ম্যানেজার (ব্যাবস্থাপক) মাসুদ সারওয়ার বলেন, যাত্রীদের অনেকে সশরীরে কাউন্টার থেকে টিকিট সংগ্রহ করেছেন, অনেকে অনলাইন মাধ্যমে টিকিট নিয়েছেন। সবাই তো ঢাকার এক এলাকায় থাকেন না। ফলে অনেক যাত্রীই বিমানবন্দর বা জয়দেবপুর স্টেশন থেকে ট্রেনে উঠবেন। এজন্যই কমলাপুর থেকে ছাড়ার সময় ট্রেনের অনেক আসন ফাঁকা থাকছে। দু-এক স্টেশন পরই সব আসন পূর্ণ হয়ে যাবে।
প্রথম দিনে ৪টি ট্রেন কিছুটা দেরিতে ছাড়লেও দ্বিতীয় দিন বুধবার একটি ছাড়া এখন পর্যন্ত প্রায় সব ট্রেন সময়মতো ছেড়ে গেছে। তবে রংপুর এক্সপ্রেসের যাত্রার সময় ৫০ মিনিট বাড়ানো হয়েছে।
এবার শুক্রবার (১ জুলাই) থেকে ট্রেনের টিকিট বিক্রি শুরু হয়। ১ জুলাই দেয়া হয় রেলের ৫ জুলাইয়ের ট্রেনের টিকিট, ২ জুলাই দেয়া হয় ৬ জুলাইয়ের টিকিট, ৩ জুলাই দেয়া হয় ৭ জুলাইয়ের ট্রেনের টিকিট, ৪ জুলাই দেয়া হয় ৮ জুলাইয়ের টিকিট এবং ৫ জুলাই দেয়া হয় ৯ জুলাইয়ের টিকিট।
ফিরতি টিকিট বিক্রি শুরু হবে বৃহস্পতিবার (৭ জুলাই) থেকে। ওই দিন ১১ জুলাইয়ের টিকিট বিক্রি হবে। ৮ জুলাই ১২ জুলাইয়ের টিকিট, ৯ জুলাই দেয়া হবে ১৩ জুলাইয়ের টিকিট আর ১১ জুলাই বিক্রি হবে ১৪ এবং ১৫ জুলাইয়ের টিকিট।
এর মধ্যে ১০ জুলাই ঈদ হলে ১১ জুলাই সীমিত কয়েকটি আন্তনগর ট্রেন চলাচল করবে। তবে ১২ জুলাই থেকে সব ট্রেন চলাচল করবে।