রেলওয়ের অব্যবস্থাপনা ও যাত্রী হয়রানির প্রতিবাদে গত ৭ জুলাই থেকে হাতে শিকল বাঁধা অবস্থায় কমলাপুর স্টেশনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে যাচ্ছেন ঢাবির থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মহিউদ্দিন রনি। তার সেই আন্দোলনের সঙ্গে একত্মতা ঘোষণা করেছেন ব্যারিস্টার সুমন। তিনি এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন। এছাড়াও তার সঙ্গে যোগ দিয়েছেন ঢাবির শতাধিক শিক্ষার্থীরা।
রনির ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটামের পর বৃহস্পতিবার (২১ জুলাই) বিকেল থেকে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে রনির সঙ্গে অবস্থান নেন তারা। এসময় রেলের অব্যবস্থাপনা নিয়ে তাদের বিভিন্ন স্লোগন দিতে দেখা যায়।
‘দুর্নীতির কালো হাত ভেঙে দাও, গুঁড়িয়ে দাও’, ‘বঙ্গবন্ধুর বাংলায় দুর্নীতির ঠাঁই নেই’, ‘একাত্তরের হাতিয়ার গর্জে ওঠো আরেকবার’ ‘তোমার আমার ঠিকানা পদ্মা-মেঘনা-যমুনা, তুমি কে আমাকে বাঙালি-বাঙালি’ এভাবেই স্লোগানে স্লোগানে রেলের অব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রতিবাদ করছেন তারা।

স্লোগানে স্লোগানে রেলের অব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রতিবাদ চলছে
মহিউদ্দিন রনির ৬ দফা:
১. টিকিট ব্যবস্থাপনায় সহজ ডটকমের হয়রানি অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে; হয়রানির ঘটনায় তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নিতে হবে।
২. যথোপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে টিকিট কালোবাজারি প্রতিরোধ করতে হবে।
৩. অনলাইনে কোটায় টিকিট ব্লক করা বা বুক করা বন্ধ করতে হবে। সেই সাথে অনলাইন-অফলাইনে টিকিট কেনার ক্ষেত্রে সর্বসাধারণের সমান সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে।
৪. যাত্রী চাহিদার সঙ্গে সংগতি রেখে ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানোসহ রেলের অবকাঠামো উন্নয়নে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিতে হবে।
৫. ট্রেনের টিকিট পরীক্ষক ও তত্ত্বাবধায়কসহ অন্য দায়িত্বশীলদের কর্মকাণ্ড সার্বক্ষণিক মনিটর, শক্তিশালী তথ্য সরবরাহ ব্যবস্থা গড়ে তোলার মাধ্যমে রেল সেবার মান বাড়াতে হবে।
৬. ট্রেনে ন্যায্যমূল্যে খাবার বিক্রি, বিনা মূল্যে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ ও স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।