‘বাঘ আমাদের অহংকার, রক্ষার দায়িত্ব সবার’ স্লোগানে ২৯ জুলাই (শুক্রবার) বিশ্ব বাঘ দিবস পালিত হচ্ছে।বাঘের প্রাকৃতিক আবাস রক্ষা করা এবং বাঘ সংরক্ষণের জন্য সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে প্রতি বছরের এই দিনে বিশ্ব বাঘ দিবস পালন করা হয়।
২০১০ সালে সেন্ট পিটার্সবার্গে অনুষ্ঠিত বাঘ অভিবর্তনে দিবসটির সূচনা হয়।
বিশ্বজুড়ে দিবসটি পালন করা হলেও বাঘ টিকে আছে বিশ্বে এমন ১৩টি দেশে বাঘের ঘনত্ব বেশি থাকায় এসব দেশে গুরুত্বসহকারে দিবসটি পালন করা হয়। বাংলাদেশে ২০১৮ সালের সর্বশেষ বাঘশুমারি হলেও এর পর নতুন করে আর কোনো পরিসংখ্যান হয়নি। সে হিসেবে বাংলাদেশের সুন্দরবন অংশে বর্তমানে বাঘের সংখ্যা ১১৪টি।
২০১০ সালে সেন্ট পিটার্সবার্গে প্রথম বাঘ সম্মেলনে বাংলাদেশসহ ১৩টি দেশ নিজ নিজ দেশে বাঘের সংখ্যা ১২ বছরের মধ্যে দ্বিগুণ করার লক্ষ্য নিয়েছিল। এর মধ্যে নেপাল বাঘের সংখ্যা দ্বিগুণ করেছে। ভারত এবং ভুটানও দ্বিগুণের কাছাকাছি নিয়ে গেছে। কিন্তু বাংলাদেশে বাঘের সংখ্যা সামান্য বাড়লেও সেই লক্ষ্য থেকে দূরে আছে।
বন বিভাগের হিসেব অনুযায়ী, সর্বশেষ জরিপের পর অন্তত ৮টি বাঘের মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু কত বাঘের জন্ম হয়েছে সে তথ্য নেই বন বিভাগের কাছে। সেই হিসেবে বর্তমানে সুন্দরবনে ১০৬টি বাঘ রয়েছে। তারপরও বন বিভাগ বলছে, সুন্দরবনে বাঘ বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
বাঘ সংরক্ষণ ও সুন্দরবন সংশ্লিষ্টরাও মনে করছেন সুন্দরবনে বাঘ বেড়েছে। কারণ হিসেবে সাম্প্রতিক সময়ে সুন্দরবনে বাঘের আনাগোনা বাড়া এবং বাঘের দেখা পাওয়ার কথা উল্লেখ করেছেন তারা।