বাংলাদেশ সেই শুরুর দিকে সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোটে যোগ দিলেও সক্রিয় উপস্থিতি খুব একটা দেখা যায়নি। এখন পর্যন্ত রিয়াদে সচিবালয়ে পাঠানো হয়নি কোনো প্রতিনিধি। রিয়াদের কর্মকর্তারা এখন বলছেন, সন্ত্রাসবাদ দমনে বাংলাদেশের সাফল্যের অভিজ্ঞতা তারা জানতে চান।
জোটের একাধিক টুইট-বার্তায় ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মেজর জেনারেল মোহাম্মদ বিন সায়েদ আল-মোঘদি জানিয়েছেন, সন্ত্রাসবাদ দমনের উদ্দেশে সহযোগিতার ক্ষেত্রে উভয়পক্ষের এ বিষয়ে ইতিমধ্যে আলোচনা হয়েছে।
কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফয়সাল বিন ফারহান আল সৌদ গত মার্চে বাংলাদেশ সফরের সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেনকে আইএমসিটিসিতে বাংলাদেশের পূর্ণাঙ্গ প্রতিনিধিদল পাঠানোর অনুরোধ জানিয়েছিলেন। সংক্ষিপ্ত ওই সফরে সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর অগ্রাধিকারের বিষয়গুলোর অন্যতম ছিল এটি।
সৌদি যুবরাজ মুহাম্মদ বিন সালমান ওই জোটের প্রধান। ওই জোটের সহায়তাকারী রাষ্ট্র হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স রয়েছে। লেবাননসহ জোটের ২৭টি সদস্যদেশের প্রতিনিধিরা আইএমসিটিসির রিয়াদের সচিবালয়ে কাজ করছেন। বাংলাদেশসহ ১৪টি দেশের প্রতিনিধিরা সচিবালয়ে যুক্ত হননি।
জোটের মহাসচিব মেজর জেনারেল মুঘেদি বাংলাদেশের আমন্ত্রণে ২৬-২৭ জুলাই ঢাকা সফর করেন। জোটটির মহাসচিবের এটিই ছিল প্রথম ঢাকা সফর।
আইএমসিটিসির ওয়েবসাইটে মহাসচিবের বাংলাদেশ সফরের বিষয়ে বলা হয়েছে, মেজর জেনারেল আল-মোঘদি বাংলাদেশের পররাষ্ট্রসচিব, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ (সিজিএস) লেফটেন্যান্ট জেনারেল আতাউল হাকিম সারওয়ার হাসান, পুলিশের মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদসহ জ্যেষ্ঠ সেনা কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। সন্ত্রাসবাদ দমনের সর্বশেষ পরিস্থিতি এবং আইএমসিটিসির সন্ত্রাসবাদবিরোধী পদক্ষেপ নিয়ে তাদের মধ্যে আলোচনা হয়েছে।