লোডশেডিংয়ের আওতায় এবার পড়তে যাচ্ছে রপ্তানিমুখী শিল্প-কারখানায়ও। বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে সরকার এবার শিল্প-কারখানায় এলাকা ও জোন ভিত্তিক সপ্তাহে একদিন লোডশেডিং দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
রোববার (৭ আগস্ট) বিদ্যুৎ ভবনে এফবিসিসিআই, বিজিএমইএ, বিটিএমএ ও বিকেএমইএর প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক শেষে বিদ্যুৎ,জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ গণমাধ্যমকে এ কথা জানান।
তিনি বলেন, এখন শিল্পাঞ্চলে শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটি আছে। এক দিনে সব এলাকায় ছুটি না দিয়ে, যদি রেশনিংয়ের মাধ্যমে একেক দিন একেক এলাকায় ছুটি চালু করা যায়, তাহলে বিদ্যুতের কিছুটা সাশ্রয় হবে, লোডশেডিং কিছুটা কমে আসবে। শিল্প মালিকরা এ বিষয়ে আমাদের সঙ্গে একমত হয়েছেন।
এফবিসিসিআইয়ের সহসভাপতি মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বলেন, এই পদ্ধতি অবলম্বন করলে প্রতিদিন ৪৯০ মেগাওয়াটের মতো বিদ্যুৎ সাশ্রয় হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তারা। আমরা বলেছি, কেবল ঢাকায় নয়, সারা দেশেই যেন এরকম ছুটি কার্যকর করা হয়।
এক সময় যখন নিয়মিত লোডশেডিং হতো, তখন এ রকম ছুটির ব্যবস্থা চালু ছিল জানিয়ে বিকেএমইএর সহসভাপতি ফজলে শামীম আহসান বলেন, আমরা বলেছি— প্রয়োজনে সে ধরনের সূচি আবার চালু করা হোক। তবে ডায়িং ও স্পিনিং ফ্যাক্টরিকে কিছুটা ছাড় দেওয়া যায় কিনা, সেই প্রস্তাব আমরা করেছি।
বিদ্যুতের চাহিদা ও জোগানের মধ্যে সমন্বয় করতে না পারায় গত জুলাই থেকে দেশব্যাপী শিডিউল লোডশেডিং দিচ্ছে সরকার।