আলোচিত নাটোরে শিক্ষিকা খায়রুন নাহারের (৪০) মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় আটক স্বামী মামুন হোসেনকে (২২) আদালতে তোলা হবে। নাটোর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাসিম আহমেদ গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সোমবার (১৫ আগস্ট) দুপুরের দিকে তাকে আদালতে তোলা হবে।
এদিকে রোববার (১৪ আগস্ট) এশার নামাজের আগে বাবার বাড়ি এলাকায় আবু বকর সিদ্দিকী কওমি মাদরাসা মাঠে জানাজা শেষে খামার নাচকৈড় কবরস্থানে খায়রুন নাহারকে দাফন করা হয়।
এর আগে নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতালের ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক (আরএমও) সামিউল ইসলাম শান্ত জানিয়েছিলেন, শিক্ষক খায়রুন নাহারের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। মরদেহে আঘাতের কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি। শ্বাসরোধ হওয়ার কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে। তারপরও ভিসেরা রিপোর্ট এলে আরও বিস্তারিত জানা যাবে। বিষয়টি নিয়ে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করে ময়নাতদন্ত করা হয়।
প্রসঙ্গত, ২০২১ সালের ১২ ডিসেম্বর কাজী অফিসে গিয়ে কলেজছাত্র মামুন ও শিক্ষক খায়রুন নাহার বিয়ে করেন। বিয়ের ছয় মাস পর বিষয়টি জানাজানি হয়। এর এক বছর আগে ফেসবুকে শিক্ষক নাহারের সঙ্গে একই উপজেলার ধারাবারিষা ইউনিয়নের পাটপাড়া গ্রামের কলেজছাত্র মামুনের পরিচয় হয়। পরে তাদের দুজনের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এক পর্যায়ে দুজন বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন।
বিয়ের ঘটনা জানাজানি হলে মামুনের পরিবার মেনে নিলেও শিক্ষকের পরিবার থেকে বিয়ে মেনে নেয়নি। এর আগে ওই শিক্ষকের বিয়ে হয়েছিল রাজশাহীর বাঘায়। পরে তাদের মধ্যে বিয়েবিচ্ছেদ হয়।